বুধবার রাতে গাড়ি থামিয়ে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে খুন করা হয় শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ'কে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুষ্কৃতীরা এখনও অধরা। তাদের খোঁজে ইতিমধ্যেই জোরকদমে তদন্ত শুরু করে...
বুধবার রাতে গাড়ি থামিয়ে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে খুন করা হয় শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ'কে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুষ্কৃতীরা এখনও অধরা। তাদের খোঁজে ইতিমধ্যেই জোরকদমে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গতকাল রাত থেকেই অকুস্থল ঘিরে রেখেছিল পুলিস। বৃহস্পতিবার সকালে সেখানে পৌঁছায় সিআইডি-র আধিকারিকেরা। সিআইডি এবং রাজ্য পুলিসের যৌথ টিম একসঙ্গে তদন্ত শুরু করেছে বলে খবর সূত্রের।
পুলিস সূত্রে খবর, গতকাল রাত ১০-১০:১৫-এর মধ্যে চন্দ্রনাথের উপর হামলা চালায় আততায়ীরা। অনেক্ষন থেকেই তাঁর গাড়ি নজরে রাখা হয়েছিল। এরপর মাঝপথে গাড়ি থামিয়ে শুরু হয় পর পর গুলি। গাড়ির কাচে বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি চালান হয়। মোট ৫টি গুলি কেন্দ্রনাথের শরীরে গেঁথে গিয়েছিল বলে খবর হাসপাতাল সূত্রে।
জানা যাচ্ছে, বারাসাত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইতিমধ্যেই চন্দ্রনাথের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে তিন সদস্যের একটি টিম তৈরি হয়েছে। যাঁদের পর্যবেক্ষণে ময়নাতদন্ত হবে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়কের। এই ময়নতদন্ত অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে মেডিকেল কলেজ। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এসে গেলেই দ্রুততার সঙ্গে শুরু করা হবে ময়নাতদন্তের কাজ।
চন্দ্রনাথের বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে হলেও তিনি থাকতেন মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়ার কাছে। জানা যাচ্ছে, যেখানে তিনি থাকতেন, সেই আবাসনের অদূরেই গুলি করে খুন করা হয় চন্দ্রনাথকে। ইতিমধ্যেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে গেরুয়া শিবিরে। গতকাল রাতেই বিক্ষোভ দেখতে শুরু করেছেন বিজেপি কর্মীরা। অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতারি এবং শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। অন্যদিকে চন্দ্রনাথের খুনের খবর পেয়ে গতকাল রাতেই হাসপাতালে পৌঁছে গিয়েছিলেন শুভেন্দু, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার-সহ রাজ্য বিজেপির নেতা-নেত্রীরা। শুভেন্দুর অভিযোগ, বেশ কয়েক দিন ধরে রেকি করে পরিকল্পনামাফিক ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে তাঁর আপ্তসহায়ককে। তিনি জানান, মৃতের পরিবারের ও আহতদের চিকিৎসার যাবতীয় দায়িত্ব নেবে দল।