চন্দ্রনাথ রথের খুনের কিনারা করতে কোমর বেঁধে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। পুলিস সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই আততায়ীদের ব্যবহৃত একটি বাইক উদ্ধার করা হয়েছে দমদম আড়াই নম্বর গেটের কাছে পরিত্যক্ত জায়গা থেকে। এই বাইকটি...
চন্দ্রনাথ রথের খুনের কিনারা করতে কোমর বেঁধে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। পুলিস সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই আততায়ীদের ব্যবহৃত একটি বাইক উদ্ধার করা হয়েছে দমদম আড়াই নম্বর গেটের কাছে পরিত্যক্ত জায়গা থেকে। এই বাইকটি চেপেই দুষ্কৃতীরা শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ককে খুন করতে গিয়েছিল বলে মনে করছে মধ্যমগ্রাম থানার পুলিস।
সূত্রের খবর, দমদম থেকে যে বাইকটি উদ্ধার করা হয়েছে সেটি আসানসোলের হিরাপুর এলাকার এক ব্যক্তির নামে রেজিস্টার্ড। তবে ওই ব্যক্তি এই গোটা বিষয় সম্পর্কে অজ্ঞাত বলেই দাবি করেছেন পুলিসের কাছে। পাশাপাশি গাড়িটির যে নম্বর প্লেট রয়েছে তাও প্রাথমিকভাবে ভুয়ো বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা। এমতাবস্থায় প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কীভাবে ওই ঠিকানা ব্যবহার করল আততায়ীরা? পাশাপাশি ব্যবহৃত ঠিকানাটি একটি সরকারি কোয়ার্টারের বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে তদন্তকারীদের হাতে।
অন্যদিকে দ্রুত ঘটনার কিনারা করতে চন্দ্রনাথের ফোনের কল রেকর্ডও খতিয়ে দেখছে পুলিস। তদন্তকারীরা মনে করছেন কল রেকর্ড থেকে কোনও সূত্র বেরিয়ে আসলেও আসতে পারে। পাশাপাশি আততায়ীদের খুঁজে বার করতে 'কল ডাম্ব' ফর্মুলাও প্রয়োগ করতে পারে তদন্তকারীরা। খুনের ঘটনায় যে ' অস্ট্রিয়ান গ্লক' পিস্তল ব্যবহার করা হয়েছিল সেটির লাইসেন্স কার নামে ছিল তাও জানার চেষ্টা করছে পুলিস।
প্রসঙ্গত, গতকাল রাতে চন্দ্রনাথ ও তাঁর গাড়ি চালককে গুলি করে আততায়ীরা। ওই সময় গাড়ির পিছনের আসনে ছিলেন মিন্টু নামে আরও এক ব্যক্তি। কিন্তু তিনি কোনক্রমে সেখানে লুকিয়ে পড়ায় প্রাণে বেঁচে যান। এমতাবস্থায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুষ্কৃতীদের বিবরণ জানার চেষ্টা করছে পুলিস। রেকর্ড করা হয়েছে তাঁর বয়ান।