ভোট আবহে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হল মিলেনিয়াম পার্ক। পাশাপাশি বন্ধ রাখা হচ্ছে ব্যস্ততম শিপিং জেটিও। পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত এই দুটি বন্ধ রাখা হবে বলেই জানা গিয়েছে সূত্র মারফত। কিন্তু আচমকা ...
ভোট আবহে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হল মিলেনিয়াম পার্ক। পাশাপাশি বন্ধ রাখা হচ্ছে ব্যস্ততম শিপিং জেটিও। পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত এই দুটি বন্ধ রাখা হবে বলেই জানা গিয়েছে সূত্র মারফত। কিন্তু আচমকা কেন এই সিদ্ধান্ত প্রশাসনের?
জানা যাচ্ছে, নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়কে গুরুত্ব দিয়েই এই পদক্ষেপ নিয়েছে প্রশাসন। কারণ বর্তমানে স্থান বদলে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর এখন স্ট্র্যান্ড রোডে অবস্থিত। আর সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বেশ কয়েকটি ঘটনার পর সেখানে ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। সেই কারণেই জমায়েত রুখতে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। তবে আচমকা শিপিং জেটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন নিত্য যাত্রীরা। কারণ জলপথে হাওড়া ও কলকাতাকে সংযুক্ত করে এই পথই। প্রতিদিন কমপক্ষে কয়েক হাজার যাত্রী যাতায়াত করেন এই জেটি দিয়ে। তাই আগামী দিনে যাতায়াতের ক্ষেত্রে ভোগান্তি তৈরি হবে বলে মনে করছেন অনেকেই।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ফর্ম ৬-কে কেন্দ্র করে সিইও দফতরের সামনে উত্তেজনা তৈরি হয়। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, ফর্ম ৬-এর মাধ্যমে রাজ্যের ভোটার তালিকায় বহিরাগতদের ঢোকানো হচ্ছে। তিনি দলীয় কর্মীদের নজরদারিরও নির্দেশ দেন। এরপর গত ৩১ মার্চ সিইও দফতরে যান শুভেন্দু অধিকারী। অভিযোগ, সেই সময় পূর্ব মেদিনীপুরের এক বিজেপি নেতা ৪০০টি ফর্ম ৬ নিয়ে সিইও দফতরে প্রবেশ করেন। আর তা নাকি হাতেনাতে ধরে ফেলেন শাসক দলের নেতা-কর্মীরা। এরপরেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা তৈরি হয় সেখানে। রীতিমত ভাঙচুর চলে শাসক-বিরোধী দুই দলের প্রতিনিধিদের মধ্যে। এরপরেই ওই এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে ও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে ১৬৩ ধারা জারি করা হয়।