আরজি করে তরুণী ডাক্তারকে নারকীয় অত্যাচার করে খুনের ঘটনায় গত একমাস ধরে উত্তাল রাজ্য তথা দেশ। এই আবহে একটি ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। যদিও ছবির সত্যতা যাচাই করেনি সিএনপোর্টাল। যে ছবি ঘিরে শুরু হয়েছে চাপানউ...
আরজি করে তরুণী ডাক্তারকে নারকীয় অত্যাচার করে খুনের ঘটনায় গত একমাস ধরে উত্তাল রাজ্য তথা দেশ। এই আবহে একটি ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। যদিও ছবির সত্যতা যাচাই করেনি সিএনপোর্টাল। যে ছবি ঘিরে শুরু হয়েছে চাপানউতর। যেখানে দেখা যাচ্ছে, আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের উপস্থিতিতে একটি ক্যাবিনে সঞ্জয় রায় কেক কেটে সেলিব্রেশন করছেন। এখন প্রশ্ন হল একজন বহিরাগত হয়েও কীভাবে হাসপাতালের অধ্যক্ষের ঘরে প্রবেশ করার অনুমতি পেল সঞ্জয়? তবে কী হাসপাতালের দুর্নীতির ক্রিয়াকলাপে সন্দীপের সহযোগী ছিল সঞ্জয়। কিন্তু এসব প্রশ্ন এখন রহস্যে মোড়া।
প্রকাশ্যে আসা ছবিটি যদি কোনওভাবে বিকৃত করা না হয় তাহলে এই ছবি ভয়ঙ্কর কিছু প্রশ্নের ইঙ্গিত করছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে একই ঘরে সন্দীপ ঘোষ ও আরজি করের সিভিক ভলেন্টিয়র সঞ্জয় রায়। খোশ মেজাজে রয়েছেন দুজনে। কোনো একটি কারণে টেবিলের উপর কেক রেখে সেটি কাটছে সঞ্জয়। পাশে নিজের চেয়ারে বসে রয়েছেন প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। হাসপাতালের একজন সাধারণ সিভিক ভলেন্টিয়র কোনো ক্ষমতায় অধ্যক্ষের সঙ্গে বিশেষ মুহুর্ত কাটাতে পারে। এই ছবি হয়ত প্রমাণ দেয় সন্দীপ-সঞ্জয় সম্পর্ক কতটা ঘনিষ্ঠ ছিল।
আরজি কর কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত হিসেবে ইতিমধ্যেই প্রেসিডেন্সি জেলে। অন্যদিকে টানা ১৪ দিন ধরে সিজিও-তে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে। তাঁর বিরুদ্ধে হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতি সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও, সঞ্জয় রায়ের বিরুদ্ধে ভুরি ভুরি অভিযোগ পেয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দারা। সিবিআই আধিকারিকরা জেনেছেন যে, প্রভাব খাটিয়ে সঞ্জয় রায় নিয়ম ভেঙে কলকাতা পুলিসের চতুর্থ ব্যাটেলিয়ানের ব্যারাকে থাকতো। কিন্তু সঞ্জয়ের এত প্রভাবের পিছনে কার হাত রয়েছে তাও এখন প্রশ্নের তালিকায়।