পাসপোর্ট জালিয়াতিকাণ্ডে গ্রেফতার করা হয়েছিল আজাদ মল্লিককে। তদন্তে ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে আজাদের সঙ্গে পাক যোগাযোগ। পাকিস্তানি আজাদ কি আদতে পাক গুপ্তচর? হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে মিলল প্রমাণ। সূত্রের খবর, আজাদে...
পাসপোর্ট জালিয়াতিকাণ্ডে গ্রেফতার করা হয়েছিল আজাদ মল্লিককে। তদন্তে ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে আজাদের সঙ্গে পাক যোগাযোগ। পাকিস্তানি আজাদ কি আদতে পাক গুপ্তচর? হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে মিলল প্রমাণ। সূত্রের খবর, আজাদের মোবাইল থেকে পাকিস্তানে নাগরিকদের সঙ্গে কথোপকথনের তথ্য পেয়েছে ইডি। এই চ্যাট দেখিয়ে আজাদকে জেরা করতে চায় তদন্তকারীরা। তাই আজাদ মল্লিককে আরও কিছুদিন হেফাজতে রাখতে চায় তারা।
সূত্রের খবর, জঙ্গি যোগের সূত্র পাওয়া যাচ্ছে ধৃত আজাদ মল্লিকের। বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠীর 'স্লিপার সেল'-র সঙ্গে তার যোগাযোগের নানা সূত্র পেয়েছে ইডি। ধৃতের পাকিস্তানের বাড়ি হদিশ করতে গিয়ে নানা সূত্র তথ্য হাতে এসেছে ইডির। পাকিস্তান এবং বাংলাদেশে তাঁর স্ত্রী ও পরিবার রয়েছে। ভারতে আসবার পরে আরেকটি বিয়ে করে ধৃত আজাদ মল্লিক। তারপর স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির পরিচয়পত্র ব্যবহার করে আজাদ মল্লিক নামে ভোটার কার্ড তৈরি করে।
ধৃত আজাদের দুটি মোবাইল থেকে উদ্ধার প্রায় ২০ হাজার পাতার ডকমেন্টস পাওয়া গিয়েছে। বাজেয়াপ্ত দুটি মোবাইল থেকে দেড় লক্ষের বেশি অডিও, ভিডিও পাওয়া গিয়েছে। বেশ কিছু ওয়াটসাপ চ্যাট রয়েছে। যেখানে দেখা গিয়েছে পাকিস্তানি নাগরিকদের সঙ্গে কথা হত ধৃতের। এমন কিছু হোয়াটস্যাপ চ্যাট পেয়েছে ইডি যেখানে টাকা লেনদেনের বিষয়ও সামনে এসেছে। কার সাথে কী কথা হয়েছে, সেগুলো খতিয়ে দেখছে ইডি।
পাসপোর্ট জালিয়াতির টাকা বাংলাদেশে হাওয়ালা মারফত পাঠাত আজাদ। এই ব্যক্তিদের সঠিক পরিচয় এবং এই দুর্নীতিতে তাদের কি কি ভূমিকা রয়েছে সেই বিষয়ে জানতেই আরও ৫ দিন নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করল ইডি।