একটা প্রবাদ প্রায় প্রত্যেকের শোনা। আয়ারাম গয়ারাম। কীভাবে উৎপত্তি হয়েছে এই প্রবাদ? শুভেন্দু অধিকারী, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, মুকুল রায়, রেজ্জাক মোল্লা, মানস ভুঁইয়া, শঙ্কর ঘোষ, সৌমেন মিত্র, ঋতব্রত বন্দ্য...
একটা প্রবাদ প্রায় প্রত্যেকের শোনা। আয়ারাম গয়ারাম। কীভাবে উৎপত্তি হয়েছে এই প্রবাদ? শুভেন্দু অধিকারী, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, মুকুল রায়, রেজ্জাক মোল্লা, মানস ভুঁইয়া, শঙ্কর ঘোষ, সৌমেন মিত্র, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এই সব নামের মধ্যে একটি কমন বিষয় আছে। সহজ ইঙ্গিত। এরা সকলেই নিজের রাজনৈতিক জীবনে একবার হলেও দল বদলেছেন। আর এদের প্রত্যেকের গুরুঠাকুর হলেন গয়া লাল।
গল্পটার শুরু ১৯৬৭ সালে। হরিয়ানার প্রথম বিধানসভা নির্বাচন। হাসানপুর কেন্দ্রের প্রার্থী গয়া লাল। নির্দল প্রার্থী হিসেবে জিতেছিলেন তিনি। জিতেই রাজনীতির খেলা শুরু করলেন তিনি। জেতার এক ঘণ্টার মধ্যে যোগ দেন জাতীয় কংগ্রেসে। তার ঘণ্টাখানেকের মধ্যে কংগ্রেস ছেড়ে নাম লেখান সংযুক্ত মোর্চায়। তার পরে হাই তোলার অবকাশ পর্যন্ত দেননি, ফের সংযুক্ত মোর্চা ত্যাগ করে ফিরে আসেন কংগ্রেসে। ন ঘণ্টায় তিন বার দল বদল করেছিলেন তিনি। কংগ্রেসের নেতা বিজেন্দ্র সিং রসিকতা করে বলেন গয়ারাম আব আয়ারাম হ্যায়। সেই থেকে আয়ারাম গয়ারাম এর ব্যবহার শুরু।
এই হর্স ট্রেডিং থামাতে ১৯৮৫ সালে দলত্যাগ বিরোধী আইন করা হয়। ভারতীয় সংবিধানের ৫২তম সংশোধনী । এটি সংসদে রাজনীতিবিদদের দল পরিবর্তনের ক্ষমতা সীমিত করে। উদয় ভানও বাবার উপযুক্ত পুত্র। তিনি ১৯৮৭ সালে লোকদলের হয়ে জয়লাভ করেন। ১৯৯১ সালে জনতা পার্টির প্রার্থী হিসেবে হেরেছিলেন। ১৯৯৬ সালে নির্দল প্রার্থী হিসেবে হেরেছিলেন, ২০০০ সালে নির্দল প্রার্থী হিসেবে জিতে আইএনএলডিতে যোগ দিয়েছিলেন। ২০০৫ সালে তিনি ছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেন।