অসীম সেন : টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাস বলছে কোনও দল পরপর দু বার চ্যাম্পিয়ন হয়নি আজ পর্যন্ত। কিন্তু এটা কোনও ইতিহাসের ক্লাস নয়। রোহিত শর্মার ডায়ালগ নজর কেড়েছে। বিশ্ব কাঁপছে বিশ্বকাপের জ্বরে। ফাইনালে...
অসীম সেন : টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাস বলছে কোনও দল পরপর দু বার চ্যাম্পিয়ন হয়নি আজ পর্যন্ত। কিন্তু এটা কোনও ইতিহাসের ক্লাস নয়। রোহিত শর্মার ডায়ালগ নজর কেড়েছে। বিশ্ব কাঁপছে বিশ্বকাপের জ্বরে। ফাইনালে নিউজিল্যান্ড আর ভারত মুখোমুখি। খেলা হবে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। ভারত নিয়ে কিছু আশঙ্কা রয়েছে। রহস্য হারাচ্ছেন বরুণ চক্রবর্তী, ফর্ম খুঁজে পেলেন না অভিষেক। তবে এরসঙ্গে রয়েছে অনেক আশা। রয়েছেন বুমবুম বুমরাহ, রয়েছেন সঞ্জু। এ আবহে ক্রিকেট নিয়ে কিছু তথ্য জেনে নিন।
জানেন কি ভারতই একমাত্র দেশ যারা ৬০, ৫০ এবং ২০ ওভারের সব ফরম্যাটে বিশ্বকাপ জিতেছে। ১৯৭৫ এবং ১৯৭৯ বিশ্বকাপ জিতেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ১৯৮৩ বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছিল ভারত। এই তিনটি বিশ্বকাপ হয়েছিল ৬০ ওভারের। ক্রিকেটের ইতিহাসে দরজার মত চওড়া ব্যাট নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন থমাস হোয়াইট সময়টা ছিল ১৭৭১ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর। তখন ক্রিকেট আইনে ব্যাটের প্রস্থ নিয়ে কোনও নির্দিষ্ট নিয়ম ছিল না। আর একটা মজার তথ্য ১৯৭৯ সালে ডেনিস লিলি অ্যালুমিনিয়ামের ব্যাট নিয়ে মাঠে নেমে পড়েছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকার আন্দ্রে নেলকে মনে আছে নিশ্চয়। যিনি অ্যানাল ডোনাল্ডকে বিষাক্ত বাউন্সারে আহত করে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন। ২০০৪ সালের ১৭ জানুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে চতুর্থ টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষ করে হেলিকপ্টার নিয়ে বিয়ে করতে চলে যান। পরের দিন সকালে ফিরে বল করেন এবং সেই টেস্টে ব্রায়ান লারাকে দু বার বোল্ড করেন।
আপনার জানা আছে কি পুরুষদের আগে শুরু হয়েছিল নারীদের বিশ্বকাপ। পুরুষদের বিশ্বকাপ শুরু হয়েছিল ১৯৭৫ সালে আর নারীদের বিশ্বকাপ শুরু হয়েছিল ১৯৭৩ সালে। নারীদের বিশ্বকাপ নিয়ে যখন আলোচনা উঠলই তখন জেনে রাখুন এলিসে পেরি এমন একজন মহিলা খেলোয়ার, যিনি অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ফুটবল ও ক্রিকেট উভয় বিশ্বকাপেই প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এক ওভারে ছ টি ছক্কা মেরেছিলেন এমন দুজন খেলোয়ার হলেন যুবরাজ সিং ও হার্সেল গিবস। আরও কয়েকজন এই বিরল ঘটনাটি ঘটিয়েছিলেন। তবে এমন একজন ভারতীয় ক্রিকেটার রয়েছেন যার ওয়ানডে ক্রিকেটে স্ট্রাইক রেট ষাটের একটু বেশী। তিনিও কিন্তু এক ওভারে ছ টি ছয় মারার নজির রেখেছেন। যদিও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নয়। কথা বলছি রবিশাস্ত্রীর সম্পর্কে। ১৯৮৫ সালের রঞ্জিতে বরোদার তিলক রাজকে ছ বলে ছটি ছয় মেরেছিলেন রবি।
ভারতের গ্রেট ফিনিশারের কথা উঠলে একটাই নাম মনে আসে দ্য গ্রেট থালাইভা, মহেন্দ্র সিং ধোনি। জানা আছে কি এমএস ধোনি এশিয়ার বাইরে একদিনের ক্রিকেটে কখনও সেঞ্চুরি করেননি। চমকে দেওয়ার মত তথ্য আরও আছে। ভেরি ভেরি স্পেশাল লক্ষ্মণ ভারতের ব্যাটিং স্তম্ভ। কিন্তু তিনি কোনও বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে মাঠে নামেননি। পাকিস্তানের প্রথম টেস্ট অধিনায়ক আব্দুল হাফিজ কারদার কিন্তু ভারতের হয়েও তিনটি টেস্ট খেলেছিলেন। তরুণ ক্রিকেটার রিঙ্কু সিং এর কিন্তু দারুণ ভুতের ভয়। একবার কেকেআর এর সতীর্থর ঘর থেকে ভুতের ভয়ে পাপা পাপা বলে চিৎকার করতে করতে পালিয়েছিলেন। রাতে আলো না জ্বালিয়ে ঘুমাতে পারেন না রিঙ্কু। শচীন তেন্দুলকার ব্যাটিংয়ে নামার আগে সবসময় বাঁ পায়ের প্যাড আগে পড়তেন।সৌরভ গাঙ্গুলি খেলারসময় পকেটে তাঁর গুরুর ছবি রাখতেন। বীরেন্দ্র শেহবাগের জার্সিতে কোনও নম্বর ছিল না। ধোনির জন্মদিন ৭ জুলাই। তাঁর ৭ সংখ্যাটা ভীষণ পয়া। তাই তাঁর জার্সি নম্বর সাত।