বলিউডের হিম্যান সম্পর্কে নতুন করে আর কীই বা বলার আছে। তাঁর জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ই খোলা বইয়ের মত রয়ে গিয়েছে তার ফ্যানেদের কাছে। তবে এমন কিছু ঘটনা রয়েছে যা অনেকেই জানেন না। শোলে ধর্মেন্দ্রর কাছে অবশ্যই...
বলিউডের হিম্যান সম্পর্কে নতুন করে আর কীই বা বলার আছে। তাঁর জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ই খোলা বইয়ের মত রয়ে গিয়েছে তার ফ্যানেদের কাছে। তবে এমন কিছু ঘটনা রয়েছে যা অনেকেই জানেন না। শোলে ধর্মেন্দ্রর কাছে অবশ্যই একটা মাইল ফলক। শোলে সিনেমার জন্য নির্মাতারা প্রথমে তাঁকে গব্বর সিং এর চরিত্রের জন্য প্রস্তাব দেয়। তিনি সেটি করতে মানা করলে চরিত্রটি ড্যানি ঘুরে আসে আমজাদ খানের কাছে। তাঁকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল ঠাকুর বলদেব সিং এর চরিত্রের জন্যও। শেষপর্যন্ত ধর্মেন্দ্র বেছে নিয়েছিলেন বীরু চরিত্রটি।

শোলের পরিচালক রমেশ সিপ্পি এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন সিনেমার যে কোনও চরিত্র ফুটিয়ে তোলার দুর্লভ ক্ষমতা ছিল ধর্মেন্দ্রর। শ্যুটিং লোকেশন ছিল বেঙ্গালুরু থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে। সেখানে কোনও হোটেল পর্যন্ত ছিল না। শোলের গোটা টিম প্রতিদিন এই ষাট কিলোমিটার গাড়িতে গিয়ে শ্যুটিং করতেন।

এখন ভাবলে হয়তো মজা পাবেন, কিন্তু শোলেতে ধর্মেন্দ্রর হাতেই ঘটতে চলেছিল একটি ভয়াবহ দূর্ঘটনা। এটি আবার একটি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন বলিউডের অ্যাংরি ইয়ংম্যান অমিতাভ বচ্চন। শ্যুটিং চলাকালীন ধর্মেন্দ্র বারবার গুলি ভরার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু পারছিলেন না। হঠাৎই বিরক্ত হয়ে তিনি বন্দুকের ট্রিগার টিপে দেন। দোনলা বন্দুকে থাকা একটি গুলি ছুটে যায়। তখন অমিতাভ ছিলেন দূরে একটি পাথরের ওপর দাঁড়িয়ে। গুলিটি একেবারে বচ্চন সাহেবের কান ঘেষে বেড়িয়ে যায়। একটু এপাশ ওপাশ হলে গুলিটি লাগত অমিতাভের মাথায়।

২০২৫ ছিল শোলের ৫০ বর্ষপূর্তি। এখনও ছবির ডায়ালগ দর্শকদের কন্ঠস্থ। অনেকেই বলেন শোলের সব আকর্ষণ শুষে নিয়েছিল জয়, ঠাকুর কিংবা গব্বর। কিন্তু তবু আজও অমর হয়ে আছে চাক্কি পিসিং এ্যান্ড পিসিং এ্যান্ড পিসিং