বিশ্বের সবথেকে বড় রামমূর্তি গোয়ায়। গোয়ার শ্রী সংস্থান গোকর্ণ জীবোত্তম মঠে ৭৭ ফুট উচ্চতার ব্রোঞ্জের এই মূর্তিটি উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাম মূর্তিটি তৈরি হয়েছে রাম সুতারের হাত...
বিশ্বের সবথেকে বড় রামমূর্তি গোয়ায়। গোয়ার শ্রী সংস্থান গোকর্ণ জীবোত্তম মঠে ৭৭ ফুট উচ্চতার ব্রোঞ্জের এই মূর্তিটি উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাম মূর্তিটি তৈরি হয়েছে রাম সুতারের হাতে। রাম মূর্তি ছাড়াও রাম সুতারের মুকুটে রয়েছে হাজার পালক।

রাম ভাঞ্জি সুতারের হাতেই তৈরি হয়েছে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের স্ট্যাচু অফ ইউনিটির নকশা। সংসদ ভবনের ভেতর মহাত্মা গান্ধীর একটি ব্রোঞ্জের আবক্ষ মূর্তিও তৈরি করেছেন এই ভাস্কর। ডক্টর বি আর আম্বেদকরের ১২৫ ফুট উঁচু মূর্তিটিও তাঁর তৈরি। এছাড়াও তিনি যুক্ত আছেন অযোধ্যায় ভগবান রামের ২৫১ মিটার উচ্চতার একটি মূর্তি তৈরির কাজে। অযোধ্যায় ২৫১ মিটার উঁচু ভগবান রামের একটি মূর্তি স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে যা সরয়ূর তীরে ১০০ একর জমিতে তৈরি হবার কথা। এটি হতে চলেছে বিশ্বের সবথেকে উঁচু মূর্তি।
যা স্ট্যাচু অব ইউনিটির থেকে প্রায় সত্তর মিটার বেশি উঁচু। মূর্তির ওজন হবে প্রায় ১৩০০০ টন। পঞ্চ ধাতুর মূর্তিটি সম্পূর্ণভাবে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হতে চলেছে। ৮২৩ ফুট উঁচু এই মূর্তির মধ্যে একটি বেসবোর্ড এবং ছাতাও অন্তর্ভূক্ত থাকবে। মূর্তিটি তৈরি করতে খরচ হবে প্রায় ২৫০০ কোটি টাকা।

রাম সুতার মহারাষ্ট্রের ধুলের গোন্টুরে এক ছুতোর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। শিল্পকলায় অসামান্য অবদানের জন্য ভারত সরকারের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার পদ্মশ্রী লাভ করেন ১৯৯৯ সালে। ২০১৬ সালে পান পদ্মভূষণ পুরস্কার। এছাড়াও রাম সুতার মহারাষ্ট্র ভূষণ সহ বিভিন্ন পুরস্কার পেয়েছেন গোটা জীবনে তাঁর কর্মকাণ্ডের জন্য। এছাড়াও এই বিশ্বের সর্বোচ্চ মূর্তি তৈরিতে থাকবেন হরিয়ানার বিখ্যাত ভাস্কর নরেশ কুমাওয়াত। গুজরাট আর উত্তর প্রদেশ যৌথ উদ্যোগে দেশীয় প্রযুক্তিতে এই মূর্তিটি তৈরি করবে।