অসীম সেন: অন্ধ্রপ্রদেশের তেনালির এক তেলেগু পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন শশী কৃষ্ণাইয়া। পেশায় চিকিৎসক, প্রয়াত রাজনীতিবিদ অজিত কুমার পাঁজার পুত্রবধূ এবং প্রসূন কুমার পাঁজার স্ত্রী। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী...
অসীম সেন: অন্ধ্রপ্রদেশের তেনালির এক তেলেগু পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন শশী কৃষ্ণাইয়া। পেশায় চিকিৎসক, প্রয়াত রাজনীতিবিদ অজিত কুমার পাঁজার পুত্রবধূ এবং প্রসূন কুমার পাঁজার স্ত্রী। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। ২০২৬ এর নির্বাচনে শ্যামপুকুর বিধানসভা থেকে দাঁড়িয়েছেন। শশী পাঁজাকে অন্তত বহিরাগত বলে মনে করেন না বিরোধীরাও। শ্যামপুকুরই এখন তাঁর বিচরণ ক্ষেত্র। এবার প্রশ্ন হল শ্যামপুকুর নামটি এল কোথা থেকে?
সুতানটি অঞ্চলের ধনী ব্যবসাদার ছিলেন শোভারাম বসাক। মসলিন, সিল্ক এবং কাঠের ব্যবসায় তিনি ছিলেন প্রথম সারির। অনেকের মতে উত্তর কলকাতার বিখ্যাত শোভাবাজার এলাকাটিও তাঁর নাম অনুসারেই হয়েছে। তাঁর অনেক পরে নবকৃষ্ণ দেব এখানে রাজবাড়ি প্রতিষ্ঠা করেন। শোভারাম বসাক একাধারে যেমন সফল ব্যবসায়ী ছিলেন, ঠিক তেমনই সমাজ সেবক হিসেবেও তাঁর খ্যাতি ছিল। উত্তর কলকাতার জগন্নাথ ঘাটও তারই তৈরি। আমরা কথা বলছিলাম শ্যামপুকুরের নামকরণ নিয়ে। মনে করা হয় শোভারাম বসাকের কুলদেবতা শ্যামরায় এর নাম অনুসারে এলাকার নাম শ্যামপুকুর।
আবার অনেকে মনে করেন শ্যাম নামের কোনও একটি ব্যক্তির প্রতিষ্ঠিত এলাকার একটি বড় পুকুরের নামে নাম হয়েছিল শ্যামপুকুর। পলাশির যুদ্ধের পর কলকাতায় সুসংহত প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য কয়েকটি থানা তৈরি হয়। তাদের মধ্যেও ছিল শ্যামপুকুর। ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার পর রামকৃষ্ণ পরমহংসকে দক্ষিণেশ্বর থেকে কলকাতার শ্যামপুকুরের ৫৫ নং শ্যামপুকুর স্ট্রিটের বাড়িতে এনে রাখা হয়। এই বাড়িটি শ্যামপুকুর বাটী নামে পরিচিত। ১৯১১ সালে চালু হওয়া শ্যামপুকুর আদি সর্বজনীনের দুর্গাপূজা কলকাতা দ্বিতীয় প্রাচীনতম বারোয়ারি দুর্গাপূজা। ১৮৮৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে কলকাতার পৌর এলাকার অংশ হিসেবে গণ্য হয়।