বিবেচনাধীন (UNDER ADJUDICATION) ৬০ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি করেছেন বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা। এই ৬০-এর মধ্যে ২৭ লক্ষ নামই বাদ পড়েছে। যাঁদের জন্য ট্রাইবুনালের দরজা খোলা আছে। এবং, সুপ্রিম কোর্ট তার বিশেষ ক...
বিবেচনাধীন (UNDER ADJUDICATION) ৬০ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি করেছেন বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা। এই ৬০-এর মধ্যে ২৭ লক্ষ নামই বাদ পড়েছে। যাঁদের জন্য ট্রাইবুনালের দরজা খোলা আছে। এবং, সুপ্রিম কোর্ট তার বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে জানিয়ে দিয়েছে, ভোটের দুদিন আগেও যাঁরা ট্রাইবুনালের রায়ে বৈধ ভোটার হিসেবে উত্তীর্ণ হবেন, তাঁরা ভোট দিতে পারবেন। এমতাবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে, ট্রাইবুনাল কী কাজ করছে, কেমনভাবে করছে, কত দ্রুততার সঙ্গে করছে, তা নিয়ে অন্ধকারে রয়েছেন বাদ-যাওয়ার ভোটাররা।
এদিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির সূর্য কান্তের এজলাসে বিষয়টি নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আইনজীবী দেবদত্ত কামাত। ওই আইনজীবীর বক্তব্য, অ্যাপিলেট ট্রাইবুনাল কাজ করছে না। ট্রাইবুনালে কোনও আইনজীবীকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। সেখানে যেতে পারছেন না আবেদনকারীরাও। ক্রমাগত নালিশ শুনে বিরক্ত হয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বিরক্ত হয়ে বলেন, "আমরা নির্দেশ দিয়েছি। তবু,প্রায় প্রতিদিন কেন আদালতে নতুন নতুন আবেদন করা হচ্ছে"? ওই আইনজীবী এর উত্তরে বলেন, "আপনাদের নির্দেশ মতো কাজ হচ্ছে না। ট্রাইবুনাল আবেদনগুলি কম্পিউটারে বিবেচনা করছেন"। তখন প্রধান বিচারপতি জানান, আজকেই এই বিষয়ে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কথা বলবেন তিনি।
এই পরিস্থিতিতে, সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে মালদহ থেকে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানান, "ট্রাইবুনাল আমার অধীনে নেই। পুরোপুরি বিচারবিভাগীয়। তাই এই বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারবো না। তবে, ট্রাইবুনাল যাঁদের যোগ্য ভোটার বলে বিবেচিত করবে, ভোটের দুদিন আগে অবধি তাঁদের নাম তালিকায় তুলতে প্রস্তুত আছি আমরা"।