একক বেঞ্চের রায় কমিশনের পক্ষে যায়নি। এমতাবস্থায়, সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হল তারা। প্রসঙ্গ, কলেজ শিক্ষক ও অধ্যাপকদের কি প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা। অধ্...
একক বেঞ্চের রায় কমিশনের পক্ষে যায়নি। এমতাবস্থায়, সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হল তারা। প্রসঙ্গ, কলেজ শিক্ষক ও অধ্যাপকদের কি প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা।
অধ্যাপকদের পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা যাবে না। তিনদিন আগে তা সাফ জানিয়ে দিয়েছিল হাইকোর্ট। এই নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। অধ্যাপকদের ভোটের কাজে নিয়োগ করার দৃষ্টান্ত সেভাবে নেই বলে মনে করেন পর্যবেক্ষকরা। এমতাবস্থায়, ছাব্বিশের বিধানসভায় কলেজ শিক্ষক তথা অধ্যাপকদের ভোটের কাজে নিয়োগ করে প্রশিক্ষণ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই ভোটের কাজে যেতে নারাজ অধ্যাপকরা হাইকোর্টে মামলা করেন। সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও কমিশনের প্রতি বিরক্ত হয়ে বলেন: এবার হাইকোর্টের বিচারপতিদেরও ভোটের কাজে নিয়োগ করুন!
এই পরিস্থিতিতে, কমিশনের যুক্তি, পোলিং অফিসার নিয়োগ করে নতুন করে প্রশিক্ষণ দিতে সময় লাগবে। একেবারে শেষ মুহূর্তে তা সম্ভব নয়। তাহলে ভোটই পিছিয়ে দিতে হবে। পরেরদিন ওই মামলার শুনানি হয় ফের। হাইকোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, অধ্যাপকদের ভোটের কাজে নিয়োগ কার চলবে না। তবে যদি কেউ স্বেচ্ছায় পোলিং অফিসার হিসেবে কাজ করতে চান, তাহলে তা করতে পারেন।
পর্যবেক্ষকদের মতে, কলেজ শিক্ষক তথা অধ্যাপকদের যা বেতন-ক্রম, তাতে করে সামান্য কিছু অর্থের জন্য ভোটের দায়িত্ব নিতে চাইবেন না প্রায় কেউই। বিশেষ করে, হাইকোর্টের রায় যখন তাঁদের পক্ষে গিয়েছে।
বিচারপতির বলেন, আদালত একাধিক বার নির্বাচন কমিশনকে নথি পেশ করার নির্দেশ দিলেও তারা কেন অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিযুক্ত করেছে তা জানাতে ব্যর্থ হয়েছে। নির্বাচন কমিশন কোনও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছাড়াই অধ্যাপকদের নির্বাচন সংক্রান্ত কাজে নিয়োগ করেছে। তাই আদালত কমিশনের এই নির্দেশ খারিজ করছে।
একক বেঞ্চের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে এদিন ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করল কমিশন। বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চে খুব সম্ভবত আগামিকালই এই মামলার শুনানি।