খেলা হবে। প্রবল খেলা হবে। আর এই খেলায় এক দলের জার্সি পরে অন্য দলের হয়ে খেললে মুশকিল। ভোটের পর তার ব্যবস্থা হবে। সারাজীবন মাঠেই ঢুকতে পারবে না। নওদার নির্বাচনী সভা থেকে হুঁশিয়ারি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ে...
খেলা হবে। প্রবল খেলা হবে। আর এই খেলায় এক দলের জার্সি পরে অন্য দলের হয়ে খেললে মুশকিল। ভোটের পর তার ব্যবস্থা হবে। সারাজীবন মাঠেই ঢুকতে পারবে না। নওদার নির্বাচনী সভা থেকে হুঁশিয়ারি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এ হুঁশিয়ারির লক্ষ্য কারা? মুর্শিদাবাদের নওদা বিধানসভা থেকে নির্বাচনের প্রার্থী আম জনতা উন্নয়ন পার্টির হুমায়ুন কবীর। নওদায় বসন্ত সমীরণ ঘাসফুলে বইছে না বলে মনে করছেন রাজনীতি জগতের একাংশ। এ আবহে অভিষেক বার্তা তাৎপর্যপূর্ণ।
২০২১ এ ভরতপুরের বিজয়ী প্রার্থী ছিলেন হুমায়ুন কবীর। হুমায়ুন দল ছাড়ার পর প্রার্থী বদল অনিবার্য ছিল। জীবনকৃষ্ণ সাহা আপাতত জেলবন্দী। এই দুটি কেন্দ্র ছাড়াও জেলার আরও আটটি আসনে প্রার্থী বদল করেছে তৃণমূল। কেন এই আমুল পরিবর্তন? গত বিধানসভা নির্বাচনে মুর্শিদাবাদের ২২ টি আসনের মধ্যে ২০ টি আসনে জিতেছিল তৃণণূল। ২০২৪ লোকসভাতেও জেলার তিনটি আসনেই জিতেছে ঘাসফুল। কিন্তু এবার সমীকরণ বদলেছে। জেলার সংখ্যালঘুদের নিয়ে নতুন দল গড়েছেন হুমায়ুন। তার সঙ্গে জোট বেঁধেছে মিম।
এরওপর মুর্শিদাবাদে বিভিন্ন কেন্দ্রে বাম এবং কংগ্রেসের শক্তি বৃদ্ধি হয়েছে। রামনবমী কেন্দ্র করে অশান্তি মেরুকরণের রাজনীতিকে প্রকট করেছে। স্বাভাবিক ভাবেই মুর্শিদাবাদে সমীকরণ বদলেছে। এ আবহে ভোট কাটাকাটি চিন্তার ভাঁজ ফেলছে তৃণমূলের। এ আবহে রবিবার নওদায় অভিষেকের সভার ঠিক আগে সভা মঞ্চে দলীয় কর্মীদের বিক্ষোভ। সবকথা মাথায় রেখেই দলের একাংশকে কড়া বার্তা দিতে চেয়েছেন অভিষেক। নওদার সভা থেকে অভিষেকের নিশানা, ‘অধীর চৌধুরী এবং হুমায়ুন কবীর কেন্দ্রীয় সরকারের নিরাপত্তা নেন। সংখ্যালঘুদের স্বার্থ দেখলে কেন্দ্রের নিরাপত্তা ছেড়ে দিন। রাজ্য সরকার আপনদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে।’’