রাজ্য জুড়ে কড়াকড়ি থাকা সত্ত্বেও অবৈধভাবে বালি পাচারের চেষ্টা। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান রুখল ঘোসপুকুর ফাঁড়ির পুলিস। পলাতক গাড়ি চালক। অভিযুক্তের খোঁজে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। কার নির্দেশে ...
রাজ্য জুড়ে কড়াকড়ি থাকা সত্ত্বেও অবৈধভাবে বালি পাচারের চেষ্টা। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান রুখল ঘোসপুকুর ফাঁড়ির পুলিস। পলাতক গাড়ি চালক। অভিযুক্তের খোঁজে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। কার নির্দেশে প্রশাসনের বারণ সত্ত্বেও চলছে অবৈধ পাচার, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিস।
রাজ্যে পট পরিবর্তন হওয়ার পরেই নতুন সরকার অবৈধ বালি, কয়লা ইত্যাদি পাচারের উপর কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। পাশাপাশি এই ধরণের কোনও ঘটনা নজরে এলে তার বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই অবস্থায় অভিযোগ, শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের অন্তর্গত ঘোষপুকুর চেংগা নদী থেকে অবৈধভাবে রাতের অন্ধকারে ১৬ চাকার ট্রাকে করে বালির পাচার করা হচ্ছিল রায়গঞ্জের উদ্দেশ্যে।
কিন্তু তার আগেই ঘটনার খবর পেয়ে যায় ঘোষপুকুর থানার ওসি সঞ্জয় তির্কি। সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ গ্রহণ করেন তিনি। হানা দেন ঘোষপুকুর আমবাড়ী এলাকায়। এরপরেই পুলিসকে দেখা মাত্রই ট্রাক ছেড়ে পালিয়ে যান গাড়ির চালক। পরবর্তীতে গ্রতিকে বাজেয়াপ্ত করে ঘোষপুকুর ফাঁড়িতে নিয়ে আসা হয়। এই অবস্থায় বালি পাচার রুখতে প্রায় প্রতি নদীরে ঘাটেই অভিযান চালাচ্ছে পুলিস। তবে এই পাচার কার নির্দেশে হচ্ছে, কে বা কারা জড়িত আছে, তা এখনও জানা যায়নি। গোটা ঘটনা তদন্ত করে দেখছে পুলিস।