নির্বাচনী প্রচারের শেষলগ্নে সোমবার ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে জনসভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিন জগদ্দলের ওই সভামঞ্চ থেকে পরিবর্তনের ডাক দিয়ে তিনি বলেন, '১৮৫৭ সালে এই ব্যারাকপুরে স্বাধীনতার প্র...
নির্বাচনী প্রচারের শেষলগ্নে সোমবার ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে জনসভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিন জগদ্দলের ওই সভামঞ্চ থেকে পরিবর্তনের ডাক দিয়ে তিনি বলেন, '১৮৫৭ সালে এই ব্যারাকপুরে স্বাধীনতার প্রথম লড়াইকে শক্তি জুগিয়েছিল। আজ এই ভূমি বাংলায় পরিবর্তনের পথ প্রশস্ত করছে। একটাই ধ্বনি, পাল্টানো দরকার।'
আগামী ২৯ তারিখ, বুধবার রাজ্যে দ্বিতীয় তথা শেষদফার ভোট। ১৪২ আসনে ভোটগ্রহণ হবে। তার আগে আজ জগদ্দলের মেগা জনসভা থেকে জনতার মনের আরও কাছাকাছি আসার চেষ্টা করলেন মোদী। বললনে, ' রাজনীতি, বিজেপি-তে আসার পরে, পার্টি যা বলে, তা-ই করি। নির্বাচনের দায়িত্ব সামলানোও তার মধ্যেই পড়ে। দিন-রাত-ঋতু কিছু দেখি না, প্রচার করে যাচ্ছি। আপনাদের মাঝে থাকলে শান্তি পাই, সুখ পাই। আপনারাই আমার পরিবার।' তাঁর আরও সংযোজন, 'এই দৌড়োদৌড়িতে একটু ক্লান্তি আসে। ৩০-৪০ বছর আগেও ক্লান্তি আসত। কিন্তু এই ভোটে অন্য অনুভূতি হচ্ছে। রোড শো রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, তীর্থযাত্রা।'
আজ মোদীর গলাতেও শোনা যায় অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গের কথা। তাঁর কথায়, 'যখন ভারত সমৃদ্ধ ছিল অতীতে, তখন তিনটি মজবুত স্তম্ভ ছিল— অঙ্গ, বঙ্গ, কলিঙ্গ অর্থাৎ বিহার, বাংলা, ওড়িশা। এই তিন স্তম্ভ দুর্বল যখন হয়, গোটা ভারতে ঝটকা লাগে। আজ বিকশিত ভারতে এই তিন স্তম্ভ জরুরি। ২০১৩ সাল থেকে, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে থেকে বলছি, পূর্ব ভারত যখন এগোবে, তখন দেশ এগোবে। অঙ্গ, কলিঙ্গে কমল ফুটেছে। এখন বাংলার পালা।'
এরপরেই তৃণমূলকে নিশানায় নেয় মোদী। বলেন, 'তৃণমূলের নেতারা এবার প্রচারে একবারও মা-মাটি-মানুষের নাম নেয়নি। যে মন্ত্র নিয়ে তারা বাংলায় সরকার গড়েছিল, তা ওরা ভুলে গিয়েছে। ওদের এখন একটাই ফর্মুলা, গালি দাও, হুমকি দাও, মিথ্যা বলো। মোদীকে, সেনাকে গালি দিয়েছে।' এরপরেই তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, 'কলকাতা এবং আশপাশের এসব এলাকা মেক ইন ইন্ডিয়ার বড় হাব হবে। বিজেপি সরকার কারখানা নিয়ে সব সমস্যার সমাধান করবে। পরিকল্পনা করব। বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী করুন। পিএম, সিএম এক সঙ্গে উন্নয়ন করবে।'