প্রত্যাশিতভাবেই, এবারও বিজেপিকে বিঁধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থাকলেন আপ-প্রধান তথা দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। বাংলায় ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশন যখন গণহারে...
প্রত্যাশিতভাবেই, এবারও বিজেপিকে বিঁধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থাকলেন আপ-প্রধান তথা দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।
বাংলায় ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশন যখন গণহারে রাজ্যের আমলা-পুলিসদের অদলবদল করছিল, তখন একটি এক্সপোস্ট করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন: নেহাত প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, রাজনৈতিক পর্যায়ে চূড়ান্ত হস্তক্ষেপ।
তৃণমূল সুপ্রিমোর ওই পোস্টের প্রতিক্রিয়ায় দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ-প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালের মন্তব্য ছিল, "নির্বাচন কমিশনকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে, ছলে-বলে-কৌশলে বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে জিততে চাইছে বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গে এখন যা ঘটছে, দিল্লির বিধানসভা নির্বাচনের সময়েও একই ঘটনা ঘটেছিল। মমতাদিদি আজ গণতন্ত্র বাঁচানোর লড়াই লড়ছেন। এই লড়াইয়ে আমরা তাঁর পাশে আছি"।
এখানেই শেষ নয়।
এর সপ্তাহদুয়েক বাদে ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থেকে বিজেপিকে খোঁচা দিয়ে কেজরিওয়ালের পোস্ট, '' সমস্ত সংস্থাকে কব্জা করে লাখো নাম বাদ দেওয়ার পরেও যদি মোদীজি পশ্চিমবঙ্গে পরাজিত হন, তাহলে?''
এরই ধারাবাহিকতায়, বাংলা যখন প্রথম দফার পর দ্বিতীয় দফার ভোটে যেতে চলেছে, তখন কলকাতা বিমানবন্দর থেকে সংবাদমাধ্যমের সামনে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সংক্ষিপ্ত মন্তব্য, "এই নির্বাচনে মমতাদিদিকে আমার শুভকামনা জানাই। বাংলার মানুষকেও অভিনন্দন জানাই। (বিজেপির) তানাশাহির বিরুদ্ধে লড়ছেন তাঁরা। দিল্লি থেকে মোদীজি আর অমিত শাহ আসছেন। বাংলার বাতবরণ যা দেখলাম, ৯০ লক্ষ বাদ-পড়া ভোটারের হয়ে প্রতিশোধ নেবে মানুষ।"