আভাস মিলেছিল আগেই। এবার তা দিনের আলোর মতো স্পষ্ট হয়ে গেল।সিভিক ভলান্টিয়ার বা ভিলেজ পুলিসদের কোনওভাবে ভোটের কাজে নিয়োগ করা যাবে না। এবং, তা সুনিশ্চিত করতে তিনদিন আগে থেকেই তাদের রিজার্ভ পুলিস লাইন...
আভাস মিলেছিল আগেই। এবার তা দিনের আলোর মতো স্পষ্ট হয়ে গেল।
সিভিক ভলান্টিয়ার বা ভিলেজ পুলিসদের কোনওভাবে ভোটের কাজে নিয়োগ করা যাবে না। এবং, তা সুনিশ্চিত করতে তিনদিন আগে থেকেই তাদের রিজার্ভ পুলিস লাইনে পাঠিয়ে দিতে হবে।
শুধু ভোটের সময়ে নয়। বিরোধীদের অভিযোগ, শাসকশিবির তাদের স্বার্থসিদ্ধি করতে নানাভাবে কাজে লাগায় এই সিভিক বা ভিলেজদের। এমনকি, রাস্তায় লরি দাঁড়ি করিয়ে তোলাবাজিতেও সিভিকদের সক্রিয়তা দেখা গিয়েছে একের-পর-এক ভাইরাল ভিডিয়োতে। খাস কলকাতার এক্সাইড মোড়ে পকেটমার সন্দেহে আটক এক ব্যক্তির বুকের উপর পা-দিয়ে নির্যাতন করার অভিযোগ ওঠে সিভিকের বিরুদ্ধে। ঘটনার অভিঘাতে কলকাতার তৎকালীন পুলিস কমিশনার সৌমেন মিত্রকে সাংবাদিক বৈঠক করে জানাতে হয়, ওই সিভিককে ডিমরালাইজ করা (বসিয়ে দেওয়া) হয়েছে।
প্রায় একই ধরনের অভিযোগ ওঠে ভিলেজ পুলিসের বিরুদ্ধেও। থানার বড়বাবু, মেজবাবু, সেজবাবুদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সুযোগে নানারকম অপকীর্তির সঙ্গে জড়িয়ে যায় তাঁদের নাম।
নির্বাচন কমিশন এবার জানিয়ে দিয়েছে, বুথের মধ্যে পুলিস থাকবে না। কার্যত কেন্দ্রীয় বাহিনীর দখলেই থাকবে বুথ। বিএলও-দের সঙ্গে ভোটারদের নথি পরীক্ষা করবেন জওয়ানরা। এমতাবস্থায়, সিভিকরা যাতে ধারের পাশে ঘেঁষতে না-পারে, তাই আগে থেকেই তাদের 'গ্যারেজ করা'র নির্দেশ কমিশনের। মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।