"সিপিএম দেড়কোটি ভুয়ো নাম দিয়ে রেশন কার্ড তৈরি করেছিল, বালু তা ধরে ফেলে, ওই সব নাম বাদ দেয়। তাই বিজেপিকে দিয়ে বালুকে গ্রেফতার করিয়েছিল সিপিএম", হাবড়ার তৃণমূল প্রার্থী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সমর্থনে ...
"সিপিএম দেড়কোটি ভুয়ো নাম দিয়ে রেশন কার্ড তৈরি করেছিল, বালু তা ধরে ফেলে, ওই সব নাম বাদ দেয়। তাই বিজেপিকে দিয়ে বালুকে গ্রেফতার করিয়েছিল সিপিএম", হাবড়ার তৃণমূল প্রার্থী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সমর্থনে এক জনসভা থেকে দাবি করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তিনবছর আগে, ২০২৩ সালে রেশন দুর্নীতি মামলায় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। পরিবর্তন-পরবর্তী জমানায় দীর্ঘদিন খাদ্যমন্ত্রী ছিলেন তিনি। রেশন দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছিল সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান। জ্যোতিপ্রিয়কে গ্রেফতারের পর, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে সন্দেশখালিতে যা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার একটি দল। তাদের উপর চড়াও হয় উত্তেজিত জনতা। সাংবাদিকদের মাটিতে পেলে মারা হয়। অভিযোগ, ইডি আসছে এই খবর পেয়েই শাহজাহান তাঁর লোকজনকে জড়ো করেন এবং তদন্তকারী আধিকারিকদের উপর চড়াও হয় তারা।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ২০২১ থেকে ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের মাঝে তৃণমূলের হেভিওয়েট যে ক-জন জেলে গিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তৃণমূলের শুরু থেকেই তিনি মমতার পাশে। দলে মহাসচিব পদ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেলে যাওয়ার পর আর তাঁর পাশে দাঁড়ায়নি দল। প্রশ্ন উঠছে, জ্যোতিপ্রিয় ও পার্থ দুজনেই জামিন পেয়ে এখন বাইরে, তাহলে এক যাত্রায় পৃথক ফল কেন? জ্যোতিপ্রিয় দলের টিকিট পেলেন আর পার্থ বাদ!
এদিনের সভা থেকে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সমর্থনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলতে শোনা যায়, "আমার সরকারে সবচেয়ে ভালো কাজ করেছে বালু। ওর ডাক নাম বালু, ভালো নাম জ্যোতিপ্রিয়। ও আমার ফেভারিট ক্যান্ডিডেট। আমার পুরনো দিনের সাথী। আমি চাই বালু হাবড়া থেকে জিতুক। আপনারা যা চাইবেন করে দেবো। কিন্তু একটাই অনুরোধ, বালুকে হাবড়া থেকে জেতাতে হবে। বালুর প্রতি অবিচার হয়েছে"।