শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক খুনে অবশেষে গ্রেফতার ৩ অভিযুক্ত। ধৃতদের উত্তরপ্রদেশ থেকে পাকড়াও করা হয়েছে বলে খবর পুলিস সূত্রে। সম্প্রতি চন্দ্রনাথ রথের হত্যাকাণ্ডের কিনারা করতে ভিনরাজ্যে গিয়েছিল তদন্তকারী...
শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক খুনে অবশেষে গ্রেফতার ৩ অভিযুক্ত। ধৃতদের উত্তরপ্রদেশ থেকে পাকড়াও করা হয়েছে বলে খবর পুলিস সূত্রে। সম্প্রতি চন্দ্রনাথ রথের হত্যাকাণ্ডের কিনারা করতে ভিনরাজ্যে গিয়েছিল তদন্তকারীদের (সিট) একটি বিশেষ দল। সেই তল্লাশি অভিযানেই উত্তরপ্রদেশ থেকে তিনজনের হদিশ পান তারা। এরপর রবিবার রাতে সন্দেহভাজনদের গ্রেফতার করা হয়।
পুলিস সূত্রে খবর, ধৃত তিনজনের মধ্যে একজন ছত্তিশগড়, বক্সার এলাকার বাসিন্দা। তিনজনেই পেশাদার 'শুটার' বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছেন তদন্তকারীরা। তবে ঠিক কী কারণে চন্দ্রনাথকে খুন করা হল, তা এখনও জানা যায়নি। পাশাপাশি ঘটনার মূল চক্রী হিসেবে কে রয়েছে তাও জানার চেষ্টা করছে পুলিস। জানা যাচ্ছে, গতকাল গ্রেফতারির পরে কলকাতায় এনে ধৃতদের রাতভর ম্যারাথন জেরা করা হয়। কত টাকা সুপারি নিয়ে তারা চন্দ্রনাথকে খুন করেছিলেন, তা জানার চেষ্টা করেন সিটের সদস্যরা। সূত্রের খবর, আজ সোমবার তিনজন অভিযুক্তকে বারাসত আদালতে পেশ করে ধৃতদের জেল হেফাজতের আবেদন জানাবে পুলিস।
গত ৬ মে রাতে মধ্যমগ্রামে চন্দ্রনাথকে গুলি করে খুন করা হয়। তাঁর গাড়িটি ঘিরে ফেলে পর পর ১০ রাউন্ড গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় চন্দ্রনাথের। গুরুতর জখম হন তাঁর গাড়ির চালক। বর্তমানে তিনি এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
চন্দ্রনাথ হত্যার তদন্তে যে সিট গঠিত হয়েছে, তাতে এসটিএফ এবং রাজ্য পুলিসের গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডি-র আধিকারিকেরা আছেন। যে গাড়িটি খুনে ব্যবহার করা হয়েছিল, সেটি ঝাড়খণ্ড থেকে নিয়ে আসা হয়েছিল বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি উদ্ধার করা হয়েছে খুনের ঘটনায় ব্যবহৃত দুটি বাইকও। তবে দু’'টি বাইকেরই নম্বরপ্লেট ভুয়ো বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করছে পুলিস।