রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের বাদ্যি বাজতেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। যার মধ্যে কিছু সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে তুমুল সমালোচনাও হয়েছে রাজনীতির অন্দরে। এবার কমিশনের সেই রকমই কিছু নির্দেশিকা...
রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের বাদ্যি বাজতেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। যার মধ্যে কিছু সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে তুমুল সমালোচনাও হয়েছে রাজনীতির অন্দরে। এবার কমিশনের সেই রকমই কিছু নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছে নবান্নের তরফে। সেখানে পরিষ্কার ভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা কেউই যেন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে রাজনৈতিক কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত না থাকে। যদি এমন কোনও অভিযোগ সামনে আসে, তাহলে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন। প্রয়োজনে তাকে নিলম্বিত করা হতে পারে বলেও নির্দেশিকায় জানান হয়েছে।
সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্যসচিবের তরফে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে মোট আটটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকার কথা উল্লেখ করা আছে। যার মধ্যে প্রথমেই রয়েছে ভয় মুক্ত ভোটদান। দ্বিতীয়, হিংসামুক্ত ভোট। তৃতীয়, ভোটারকে ভয় দেখানো থেকে বিরত থাকা। চতুর্থ, ভোটারকে প্ররোচিত না করা। পঞ্চম, ছাপ্পা মুক্ত ভোটকেন্দ্র। ষষ্ঠ, বুথ জ্যামিং বন্ধ করা। সপ্তম, ভোটারকে ভোটকেন্দ্র যাওয়ার পথে যেন বাধা না দেওয়া হয় তা ভোট কর্মীদের নিশ্চিত করা। এবং অষ্টম, কোনও সরকারি কর্মী, যে ভোটের কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকবে, তাঁর কোনভাবেই রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকা যাবে না।
ইতিমধ্যেই নবান্নের তরফে এই নির্দেশিকা জেলা শাসকদের পাঠান হয়েছে। সেখানে জানান হয়েছে, কোনও সরকারি কুমির বিরুদ্ধে যদি নিয়মভঙ্গের অভিযোগ ওঠে তাহলে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মূলত আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতেই এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।