মালদহের মোথাবাড়ির ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টে যখন প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে চলেছ এনআইএ, তখন 'মূলচক্রী' মোফাক্কারুল ইসলামকে সাসপেন্ড করল কলকাতা হাইকোর্টের বার অ্যাসোসিয়েশন।সাতজন বিচারবিভাগীয় আধিক...
মালদহের মোথাবাড়ির ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টে যখন প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে চলেছ এনআইএ, তখন 'মূলচক্রী' মোফাক্কারুল ইসলামকে সাসপেন্ড করল কলকাতা হাইকোর্টের বার অ্যাসোসিয়েশন।
সাতজন বিচারবিভাগীয় আধিকারিককে আটকে রেখে বুধবার মোথাবাড়িতে তাণ্ডবের ঘটনায় মূলচক্রী হিসেবে সিআইডি গ্রেফতার করেছে কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী মোফাক্কারুল ইসলামকে। ওইদিনের ভিডিয়ো ফুটেজ প্রকাশ্যে আসতেই তোলপাড় পড়ে গিয়েছে গোটা দেশে। সেখানে দেখা গিয়েছে, একটি উঁচু জায়গার উপর উঠে এক ব্যক্তি ক্রমশ তাতিয়ে চলেছে জনগণকে। পুলিস-প্রশাসনের শীর্ষস্থানীয় আধিকারিকদের উদ্দেশে বলে চলেছে, "কে আছিস রে ভাই, আয়"? এমতাবস্থায় কালিয়াচক-২ বিডিয়ো অফিসে ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা আতঙ্কের প্রহর গুনতে হয়েছে ৭ জন বিচারবিভাগীয় আধিকারিককে। ওই সময়ে অবরুদ্ধ থাকা এক মহিলা বিচারকের অডিয়ো ক্লিপ ভাইরাল হয় ও স্তম্ভিত হয়ে যায় গোটা দেশ: আমরা আক্রান্ত, আমার যদি কিছু হয়, তাহলে হাইকোর্ট যেন আমার বাচ্চাদের দায়ভার নেয়।
দীর্ঘক্ষণ বাদে ওই ৭ জন বিচারবিভাগীয় আধিকারিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিস। বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার হন মোফাক্কারুল। প্রশ্ন ওঠে, কলকাতা হাইকোর্টের একজন আইনজীবী হয়ে মোফাক্কারুল কোন আক্কেলে প্রকাশ্যে প্রশাসনের বিরুদ্ধে এইভাবে উস্কানি দেন? এরপরই নড়েচড়ে বসে বার অ্যাসোসিয়েশন। এবং, সোমবার তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়।
প্রসঙ্গত, ওই ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন, এমন পোলারাইজড (মেরুকরণ) রাজ্য দেশে আর নেই।