যেখানে জাতীয় নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে সেখানে মোদী-শাহ চুপ কেন? কলকাতা ওড়ানোর হুঁশিয়ারি শুনেও কেন কোনও উচ্চবাচ্য করছেন না প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং? সোমবার কৃষ্ণনগরের নাকাশিপাড়ায় নির্বাচনী প্রচারে গ...
যেখানে জাতীয় নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে সেখানে মোদী-শাহ চুপ কেন? কলকাতা ওড়ানোর হুঁশিয়ারি শুনেও কেন কোনও উচ্চবাচ্য করছেন না প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং? সোমবার কৃষ্ণনগরের নাকাশিপাড়ায় নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে এই ইস্যুকে হাতিয়ার করে কেন্দ্রকে নিশানা করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন জনসভা থেকে তিনি কেন্দ্রের শীর্ষ নেতৃত্বের দিকে প্রশ্ন তুলে বলেন, 'পাকিস্তান বলছে, কলকাতা উড়িয়ে দেবে! তা শুনে কেন চুপ করে রইলেন আপনারা? প্রধানমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী জবাব দিন। জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে আমরা তো সবসময়ে কেন্দ্রের পাশে থাকি ভারতীয় হিসেবে। কলকাতা আক্রমণের কথা বললে আমরা মানব না।'
চলতি মাসের ২২ তারিখ পহেলগাঁও হামলার ১ বছর পূর্তি হবে। বিগত এই সময়ের মধ্যে পাকিস্তানের বহু ষড়যন্ত্রমূলক পরিকল্পনা প্রকাশ্যে এসেছে। পাশাপাশি দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কও তলানিতে ঠেকেছে। এই পরিস্থিতিতে রবিবার সকালে ফের ভারতকে নিশানা করে হুঁশিয়ারি দিল পাকিস্তান। আর এবার ইসলামাবাদ সরাসরি কলকাতাকে টার্গেট করে হুমকি দিয়েছে। সে দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেছেন, 'ভারত যদি এবার মিথ্যা অজুহাতে কোনও রকম অভিযান চালানোর চেষ্টা করে, তাহলে তার পরিণতি ভালো হবে না। এবার আমরা সেই সংঘাত কলকাতা পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাব। সংঘাত ২০০ থেকে ২৫০ কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। আমরা তাদের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে, তাদের ঘরে ঢুকে হামলা চালাব।'
সোমবার সেই প্রসঙ্গ তুলেই নির্বাচনী প্রচার থেকে মমতা বলেন, 'পাকিস্তানের মন্ত্রী কলকাতাকে নিশানা করার কথা বললেন কী করে? মোদী তো রবিবার এখানে এসেছিলেন প্রচার করতে। কোনও পদক্ষেপ করার কথা বললেন না কেন? কেন চুপ রইলেন? পাকিস্তানকে পাল্টা হুঁশিয়ারি কেন দেওয়া হল না? ওখানকার মন্ত্রীকে দিয়ে কে একথা বলিয়েছেন? তদন্ত চাই। আমরা কলকাতাকে আক্রমণের কথা বললে মানব না।'