সোমবারে এসআইআর মামলার শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী স্পষ্টই জানালেন, "বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা দিনে ১ হাজারটা করে নথি পরীক্ষা করছেন। এই পরিস্থিতিতে, ৭০ শতাংশ ঠিক হলেই বলব দারুণ কাজ। একটু-আধতু ভুল সব...
সোমবারে এসআইআর মামলার শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী স্পষ্টই জানালেন, "বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা দিনে ১ হাজারটা করে নথি পরীক্ষা করছেন। এই পরিস্থিতিতে, ৭০ শতাংশ ঠিক হলেই বলব দারুণ কাজ। একটু-আধতু ভুল সবসময়েই হয়ে থাকে"।
এদিন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিল, ট্রাইবুনালের কাজে কোনওভাবে হস্তক্ষেপ করবে না আদালত। তবে বিচারপতি বাগচী বলেন, "যদি কোনও এক জায়গায় অনেক বেশি ভোটারের নাম বাদ পড়ে, তাহলে তা নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। ভোট দেওয়া শুধু সাংবিধানিক অধিকার নয়, ভোটারদের কাছে এটা খুবই সেন্টিমেন্টাল বিষয়"।
ট্রাইবুনালে উতরোতে পারলে এবার কি ভোট দেওয়া যাবে? সে ক্ষেত্রে ফ্রিজ হয়ে যাওয়া তালিকায় কি না উঠবে, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই বিষয়ে তাঁরা কোনও হস্তক্ষেপ করবেন না, চাইলে ট্রাইবুনালের দ্বারস্থ হতে পারেন সংশ্লিষ্ট ভোটার।
বিবেচনাধীন (UNDER ADJUDICATION) ৬০ লক্ষ ভোটারের মধ্যে ২৭ লক্ষের নাম বাদ গিয়েছে। এমতাবস্থায় বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের কাজ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এমতাবস্থায়, বিচারপতি বাগচী বলেন, "বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা দিনে ১ হাজারটা করে নথি পরীক্ষা করছেন। এই পরিস্থিতিতে, ৭০ শতাংশ ঠিক হলেই বলব দারুণ কাজ। একটু-আধতু ভুল সবসময়েই হয়ে থাকে"।
প্রসঙ্গত, বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাদ গিয়েছে ৯০ লক্ষ নাম। যা নিয়ে সর্বভারতীয় রাজনীতিও স্বরগরম। আপ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল থেকে শুরু করে রাজধানীর রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশ ইতিমধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। আপ সুপ্রিমো কেজরিওয়ালের প্রশ্ন, এত নাম বাদ দিয়েও যদি নরেন্দ্র মোদী বাংলা জিততে না পারেন, তখন কী হবে?