'মৎস্য মারিব খাইবো সুখে'। এহেন মাছেভাতে বাঙালির পাত থেকে কি এবার মাছ উধাও হয়ে যাবে? বিতর্ক গড়াল নববর্ষের দিনেও।এদিন এক সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপি নেত্রী স্মৃতি ইরানিকে প্রশ্ন করা হয়, আপনারা ক্ষমতায় এলে ক...
'মৎস্য মারিব খাইবো সুখে'। এহেন মাছেভাতে বাঙালির পাত থেকে কি এবার মাছ উধাও হয়ে যাবে? বিতর্ক গড়াল নববর্ষের দিনেও।
এদিন এক সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপি নেত্রী স্মৃতি ইরানিকে প্রশ্ন করা হয়, আপনারা ক্ষমতায় এলে কি মাছ খাওয়া বন্ধ হবে?
স্মৃতির উত্তর, ''ইলিশ মাছ নিয়ে আসুন আমি বেছে খাইয়ে দিচ্ছি''। তারপর তাঁর সংযোজন, "পশ্চিমবঙ্গে কেন মাছের উৎপাদন নেমেছে? প্রধানমন্ত্রী আগেই এই প্রশ্ন তুলেছেন। আমরা বলছি, মাছের উৎপাদন বাড়ানোটাই তো একটা চ্যালেঞ্জ। কেন গুজরাত থেকে মাছ আসছে"?
প্রসঙ্গত, নববর্ষে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেচ্ছা জানিয়ে যে-পোস্ট করেছেন, সেখানেও এই মাছ-বিতর্কের ইঙ্গিত রয়েছে। অভিষেক লিখেছেন, "বাংলাকে দুর্বল করতে বারংবার চেষ্টা চলছে। বাংলার বদনাম করা হচ্ছে। মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি নিয়ে মস্করা করা হচ্ছে। কী খাওয়া যাবে আর কী খাওয়া যাবে না, তা ঠিক করে দেওয়া হচ্ছে"।
বিধানসভা নির্বাচনের আবহে বাংলায় এসে মাছ-বিতর্ক উত্থাপন করেছেন খোদ নরেন্দ্র মোদী। বিজেপি মাছ-বিরোধী, তৃণমূল যখন এই ভাষ্য তৈরি করে দিতে পেরেছে অনেকদূর অবধি, তখন বাংলায় মাছ উৎপাদন এত কম কেন তা নিয়ে জনসভা থেকে প্রশ্ন তুলেছেন মোদী। সেইসঙ্গে, মৎস্যজীবীদের জন্য একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথাও বলেছেন। বিজেপি ক্ষমতায় এলে যা চালু করবে বলে তাঁর দাবি।
শুধু তা-ই নয়। বিজেপি মাছ-বিরোধী, এই ভাষ্য বদলাতে যতকিছু করা যায়, ততকিছুই করছেন দলের বঙ্গ-নেতৃত্ব। সিউড়ির বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় প্রচারের গিয়ে বাজার থেকে ইয়াব্বরা একটা মাছ হাতে তুলে বলেছেন, "আমরা মাছ খাবো, মাংসও খাবো আর জয় শ্রীরাম বলে পদ্মফুলে ভোটও দেবো"।