নববর্ষের দিন দলীয় কর্মসূচিতে কলকাতায় এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েক নিশানা করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। এবং, 'তৃণমূলমুক্ত' বাংলার গড়ার ডাক দিলেন।কলকাতা বিমানবন্দরে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, মমতা বন্দ...
নববর্ষের দিন দলীয় কর্মসূচিতে কলকাতায় এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েক নিশানা করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। এবং, 'তৃণমূলমুক্ত' বাংলার গড়ার ডাক দিলেন।
কলকাতা বিমানবন্দরে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, বাংলা হল সংস্কৃতির পীঠস্থান, কেন্দ্র থেকে কিছু লোক আসছে আর ভোটদানের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে, কী বলবেন?
অনুরাগের উত্তর, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এভাবেই লোকে চেনে যে, তিনি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের সুরক্ষা দেন, গরুচোরদের সুরক্ষা দেন, জালনোটের কারবারিদের সুরক্ষা দেন, নকল আধার কার্ড বানায় যারা তাদের সুরক্ষা দেন। আর বাংলার বউ-মেয়েদের ইজ্জত নিয়ে খেলা করে যারা তাদেরও সুরক্ষা দেন। বাংলার যুবকদের চাকরি ছিনিয়ে অনুপ্রবেশকারীদের দেওয়াই ওঁর কাজ। বাংলার মানুষের আনাজ আর মিড ডে মিলের মাধ্যমে তৃণমূলের গুন্ডারা মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকার ভ্রষ্টাচার করেছে, কয়লা চুরিতে হাজার হাজার কোটি টাকার ভ্রষ্টাচার করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন ভ্রষ্টাচারীদের বাঁচানোর জন্য রাস্তায় নামেন। ভ্রষ্টাচারীদের বাঁচাতে পুরো সরকারকে ব্যবহার করেন। আর বাংলার মানুষদের পিছিয়ে পড়তে বাধ্য করেন। এখানে কারা সুরক্ষিত? বাংলায় তুষ্টিকরণের রাজনীতি হচ্ছে। আজ এটুকুই বলব, "৪ মে আয়েগি মমতা ব্যানার্জি যায়েগি"।