তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তপ্ত জগৎবল্লভপুরের চকশাহাদাত এলাকা। রবিবার রাতে তৃণমূলের দুই দলের গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ভাঙচুর করা হয় তৃণমূলের পার্টি অফিস। সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয় একজন। ইতিমধ্য...
তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তপ্ত জগৎবল্লভপুরের চকশাহাদাত এলাকা। রবিবার রাতে তৃণমূলের দুই দলের গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ভাঙচুর করা হয় তৃণমূলের পার্টি অফিস। সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয় একজন। ইতিমধ্যে, ঘটনায় জগৎবল্লভপুর থানার পুলিস একজনকে আটক করেছে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, গতকাল সন্ধ্যায় জগৎবল্লভপুরের চকশাহাদাতে একটি স্থানীয় ক্লাবের মাঠে আলোর উদ্বোধন এবং ইফতার পার্টির আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানের উপস্থিত ছিলেন জগৎবল্লভপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রঞ্জন কুণ্ডু। অভিযোগ, রঞ্জন কুণ্ডু যখন উপস্থিত ছিলেন সেই সময় ঘনিষ্ঠ লোকজন ওই এলাকার সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি শহিদুল মিদ্দের উপর চড়াও হয় এবং তাঁকে বেধড়ক মারধর করে। তড়িঘড়ি তাঁকে আহত অবস্থায় জগৎবল্লভপুর গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপরই উত্তেজিত জনতা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা তৃণমূলের একটি পার্টি অফিসে এসে ব্যানার এবং ফেস্টুন ছিঁড়ে রাস্তায় ফেলে দেয়।
জগৎবল্লভপুর এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান জুবেদা খাতুন অভিযোগ করেন রঞ্জন কুণ্ডু এবং তাঁর দলবল শহিদুলের উপর হামলা চালায়। তিনি স্থানীয় পঞ্চায়েতকে না জানিয়ে মাঠে আলো লাগান। অথচ দীর্ঘদিন বলা সত্ত্বেও রাস্তায় আলো লাগাননি। তিনি স্থানীয় পঞ্চায়েতকে অন্ধকারে রেখে কাজ করেন। তিনি গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব লাগাচ্ছেন। আজকেও তার উপস্থিতিতে মারধরের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় বিরাট পুলিস বাহিনী এবং RAF। উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
পরে রঞ্জন কুণ্ডু ফোনে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ওখানে সামাজিক অনুষ্ঠান হচ্ছিল। কোনও রাজনৈতিক অনুষ্ঠান ছিল না। তাই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নয়। আরও দাবি করেন, তিনি যতক্ষণ ছিলেন কোনও গন্ডগোল হয়নি। পরে কি হয়েছে তিনি জানেন না।