নাকা চেকিং করে বাড়ি ফেরার পথে দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত ম্যাজিস্ট্রেট ও তাঁর ভাই। আহতরা সম্পর্কে দুই ভাই। একজনের নাম বুবাই দে এবং অপরজন বাপি মজুমদার। দুষ্কৃতীদের হাত থেকে প্রাণে বাঁচলেও গুরুতর জখম হয়...
নাকা চেকিং করে বাড়ি ফেরার পথে দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত ম্যাজিস্ট্রেট ও তাঁর ভাই। আহতরা সম্পর্কে দুই ভাই। একজনের নাম বুবাই দে এবং অপরজন বাপি মজুমদার। দুষ্কৃতীদের হাত থেকে প্রাণে বাঁচলেও গুরুতর জখম হয়েছেন দু'জনই। এর মধ্যে বুবাই দে'র অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হলেও আশঙ্কাজনক অবস্থা বাপির। তিনি বর্তমানে কল্যাণী এইমস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে নাকা চেকিং করে বাড়ি ফিরছিলেন বুবাই ও বাপি। কিন্তু আচমকা নদীয়ার হরিণঘাটা থানার অন্তর্গত কল্যাণী মোড় সংলগ্ন লাউ পালা রোডের মাঝে তাঁদের গাড়ি আটকে ছয় সাত দুষ্কৃতী। এরপর গাড়ি থেকে দু'জনকে নামিয়ে শুরু হয় তুমুল মারধর। রীতিমত ধারালো অস্ত্র, লাঠি এবং লোহার রড দিয়ে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ। এরপরেই ঘটনাস্থলে থেকে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। পরে তাঁদের চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন স্থানীয়রা। খবর দেওয়া হয় হরিণঘাটা থানায়।
এরপর পুলিস দুজনকে উদ্ধার করে প্রথমে হরিণঘাটা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। পরে তাঁদের অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়। তবে শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হওয়ায় বাপি মজুমদারকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে কল্যাণীর এইমস হাসপাতালে। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন তিনি। অন্যদিকে ঘটনার খবর পেয়ে গতকাল রাতেই হাসপাতালে পৌঁছান হরিণঘাটা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপির বিদায়ী বিধায়ক কবিয়াল অসীম কুমার সরকার। দেখা করেন ম্যাজিস্ট্রেট বুবাই দে'র সঙ্গেও।
তবে কী কারণে এই হামলা তা এখনও জানা যায়নি। পুরনো শত্রুতা নাকি অন্য কোন আক্রোশ, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। গতকাল রাতেই তদন্ত শুরু করে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে তদন্তকারীরা। ধৃতরা হলেন, নব কুমার মাল, কিশোর মাল ও বাবলু দেবনাথ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করে শুরু হয়েছে তদন্ত। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি জারি রেখেছে পুলিস। তবে বৃহস্পতিবার রাতের ঘটনায় ফের একবার প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়েছে সরকারি আধিকারিকদের নিরাপত্তা।