ভাঙড়ে রাসায়নিক ভর্তি ড্রাম বিস্ফোরণের ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছিল ন'বছরের সাদিকুল আহমেদ। দেশের ৯৫ শতাংশ অংশ ঝলসে গিয়েছিল তার। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সেই ঘটনার পর থেকে এমআর বাঙুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল সে। মৃত...
ভাঙড়ে রাসায়নিক ভর্তি ড্রাম বিস্ফোরণের ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছিল ন'বছরের সাদিকুল আহমেদ। দেশের ৯৫ শতাংশ অংশ ঝলসে গিয়েছিল তার। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সেই ঘটনার পর থেকে এমআর বাঙুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল সে। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছিল নাবালক। তবে শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কাছে হার মানতে হল সাদিকুলকে। বুধবার ভোর ৫:৪৫ নাগাদ তার মৃত্যু হয় বলে খবর হাসপাতাল সূত্রে। নাবালকের মৃত্যুতে শোকের ছায়া এলাকায়।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি খড়গাছি এলাকায় রাস্তা তৈরির কাজে ব্যবহৃত একটি কেমিক্যাল ভর্তি ড্রামে বিস্ফোরণ হয়। ওই সময় ঘটনাস্থলে ছিল চার নাবালক। ঘটনায় প্রত্যেকেই গুরুতর জখম হয়। এরপর তড়িঘড়ি তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তিন নাবালককে স্থানান্তর করা হয় এমআর বাঙুর হাসপাতাল। কিন্তু জখমদের মধ্যে সবথেকে জটিল অবস্থা ছিল সাদিকুলের। দেহের অধিকাংশ জায়গা পুড়ে গিয়েছিল তার।
এর মধ্যে আজ ভোরে নাবালকের মৃত্যু হয় হাসপাতালে। ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ওই দাহ্য পদার্থ খোলা অবস্থায় রেখে দেওয়া হয়েছিল। কোন নিরাপত্তা অবলম্বন না করার ফলেই এত বড় দুর্ঘটনা ঘটে গেল এলাকায়।