রাত পোহালেই দ্বিতীয় দফা নির্বাচন পশ্চিমবঙ্গে। আর তার আগে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে রাজ্য পুলিসকে কড়া নির্দেশকা দিল কমিশন। কলকাতা হাইকোর্ট এবং কমিশনের দেওয়া সমস্ত নির্দেশ সঠিক ভাবে পালন করতে হবে রাজ্য...
রাত পোহালেই দ্বিতীয় দফা নির্বাচন পশ্চিমবঙ্গে। আর তার আগে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে রাজ্য পুলিসকে কড়া নির্দেশকা দিল কমিশন। কলকাতা হাইকোর্ট এবং কমিশনের দেওয়া সমস্ত নির্দেশ সঠিক ভাবে পালন করতে হবে রাজ্য পুলিসকে। ভোটারদের ভয় দেখানো বা ভোটদানে বাধা দেওয়ার মত ঘটনা এড়াতে এবার বিশেষভাবে নজরদারি চালানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে।
প্রথম দফার ভোট থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার আরও তৎপর নির্বাচন কমিশন। রাজ্যে শান্তিপূর্ণ এবং অবাধ ভোটদানই লক্ষ্য জ্ঞানেশ কুমারের দফতরের। কিন্তু তা সত্ত্বেও প্রথম দফায় কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনার সাক্ষী থেকেছে বাংলা। তবে নজিরবিহীনভাবে কোনও খুন, বা গোলাগুলির ঘটনা ঘটেনি এবার। কিন্তু তাল কেটেছে প্রথম দফার ভোট মেটার পর। গত রবিবার রাতে আচমকাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়া। তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষে দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। পরে অর্জুন সিংহের ছেলে তথা ভাটপাড়ার বিজেপি প্রার্থী পবন সিংহের বাড়ি লক্ষ্য করেও হামলার অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হন পবনের নিরাপত্তারক্ষী এক জওয়ান।
এমতাবস্থায় রাজ্য মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়ালের বিশ্বাস, প্রথম দফার থেকেও দ্বিতীয় দফায় ভোট বেশি পড়বে বঙ্গে। আর সেই লক্ষ্য সুনিশ্চিত করতে ইতিমধ্যেই ঘুঁটি সাজিয়ে ফেলেছে কমিশন। রাজ্য পুলিসকে জ্ঞানেশের দফতরের কড়া নির্দেশ, অবৈধ জমায়েত বা ভয় দেখানোর মত ঘটনা নজরে এলেই সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাহায্য নিতে হবে। পাশাপাশি ‘প্রতিরোধমূলক আটক/পদক্ষেপ’-এর ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রেও কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট আটক আইন কঠোরভাবে অনুসরণ করতে পারবে বলেও জানিয়ে দিয়েছে কমিশন। ফলে দ্বিতীয় দফার ভোট নিয়ে ক্রমেই বাড়ছে উত্তেজনা।