'ক্রোনোলজি সমঝিয়ে'।প্রথমে ভবানীপুরের মল্লিকবাড়িতে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আগমন। প্রবল জল্পনা, তবে কি রঞ্জিত মল্লিক এবার বিধানসভায় তৃণমূলের টিকিটে দাঁড়াবেন? কেউ ...
'ক্রোনোলজি সমঝিয়ে'।
প্রথমে ভবানীপুরের মল্লিকবাড়িতে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আগমন। প্রবল জল্পনা, তবে কি রঞ্জিত মল্লিক এবার বিধানসভায় তৃণমূলের টিকিটে দাঁড়াবেন? কেউ বললেন, না-না বাবা নয়, মেয়ে দাঁড়াবে। অভিষেক-আগমনের প্রতিক্রিয়ায় কলকাতা-৭১-এর নায়ক রঞ্জিত মল্লিক হাসিমুখে শুধু বলেছিলেন, অভিষেককে তাঁর বড় ভালো লাগে।
তারপর?
তারপর সব চুপচাপ। পাল্টা জল্পনা শুরু। লিখে নিন, ভবানীপুরের মল্লিক পরিবারথেকে কেউ তৃণমূলের টিকিটে দাঁড়াবেন না।
হঠাৎ আলোর ঝলকানি! বিধানসভা নয়, একেবারে রাজ্যসভায় কোয়েল মল্লিককে পাঠাচ্ছে তৃণমূল। ঠিকই তো, জনসভায় গিয়ে-গিয়ে প্রচার করা তাঁর কি মানায়?
রাজ্যসভার মনোনয়ন জমা দিয়ে কী বললেন কোয়েল? "সেবা করার সুযোগ পাবো"।
রাজ্যসভা কি তাহলে মঠ-মিশনের সমার্থক হয়ে গেল?
উত্তর মিলল না। তবে বিতর্ক মিলিয়ে গেল।
তারপর সব চুপচাপ। এবং, তারও পর, অদ্য খবর পাওয়া গেল, বিধানসভা ভোটের প্রথম দফায় তৃণমূলের অন্যতম স্টার ক্যাম্পেনার কোয়েল মল্লিক!
এমতাবস্থায় প্রশ্ন, ২০০৯ সালে বাংলায় যখন পরিবর্তনের হাওয়া প্রবলবেগে বইছে, তখন বীরভূমে তৃণমূল প্রার্থী করে অভিনেত্রী শতাব্দী রায়কে। রাজনৈতিক মহলে একাংশ বলে, ওই সময়ে গ্রামের মানুষের কাছে গিয়ে অভিনেত্রী বলেন, এবার থেকে আর তাঁকে দেখতে টিকিট কাটতে হবে না (তাঁর অভিনীতি সিনেমায় যেমন হয়)।
ভবানীপুরের মল্লিক বাড়ির মেয়ে যদিও সরাসরি প্রার্থী নন, তবুও প্রশ্ন, তৃণমূলের হয়ে ভোট প্রচারে গিয়ে কী বলবেন রঞ্জিত মল্লিকের মেয়ে ও নিশপাল সিংয়ের স্ত্রী কোয়েল মল্লিক?
প্রথম দফায় তৃণমূলের স্টার ক্যাম্পেনারের তালিকায় আরও নাম রয়েছে এবং তা বলাই বাহুল্য। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তো রয়েইছেন। এছাড়াও নেত্রী-অভিনেত্রীদের মধ্যে রয়েছেন শতাব্দী রায়, জুন মালিয়া, সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবং, অবশ্যই, নেতা-অভিনেতা দেব।
রিল লাইফে দেব-কোয়েলের জমাটি রসায়ন, রিয়েল লাইফে ভোটের বক্স অফিসে কতটা ঝড় তুলতে পারে সেদিকে তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।