বেলডাঙায় বাবরি মসজিদকে পরিকল্পিত করতে তৎপর সদ্য বহিস্কৃত তৃণমূল নেতা হুমায়ুন কবীর। ইতিমধ্যেই তাঁকে দল থেকে সাসপেন্ড করেছে তৃণমূল। যা নিয়ে বর্তমানে একপ্রকার তোলপাড় রাজ্য থেকে রাজনীতি। শনিবার যখন একদিকে...
বেলডাঙায় বাবরি মসজিদকে পরিকল্পিত করতে তৎপর সদ্য বহিস্কৃত তৃণমূল নেতা হুমায়ুন কবীর। ইতিমধ্যেই তাঁকে দল থেকে সাসপেন্ড করেছে তৃণমূল। যা নিয়ে বর্তমানে একপ্রকার তোলপাড় রাজ্য থেকে রাজনীতি। শনিবার যখন একদিকে বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করতে ব্যস্ত হুমায়ুন ঠিক অন্যদিকে হুমায়ূনকে আক্রমণ করে তৃণমূলকে নিশানা করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর কথায়, 'আমাদের মসজিদ নিয়ে কোনও আপত্তি নেই। এক হাজারটা বানান। কিন্তু বাবরের নাম নিয়ে আপত্তি আছে আমাদের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কত বড় তোষণবাজ তা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে।'
শনিবার একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেন, 'আমাদের মসজিদ নিয়ে কোনও আপত্তি নেই। এক হাজারটা বানান। ধর্ম পালন করুন। কিন্তু বাবরের নাম নিয়ে আপত্তি আছে আমাদের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কত বড় তোষণবাজ তা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে। সরাসরি সুপ্রিম কোর্টকে চ্যালেঞ্জ করা হল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুলিস দিয়ে তা পালন করেছেন। অথচ সরস্বতী পুজো করতে গিয়ে ছাত্রীকে হাইকোর্টে যেতে হয়েছিল। আমাদের একটা পুজোকেও অনুমোদন দেওয়া হয়না। হিন্দু ধর্ম পালনের ক্ষেত্রে আদালতে যেতে হয়।'
পাশাপাশি শুভেন্দু আরও বলেন, 'আগামী দিনে যদি বাংলার হিন্দুরা যদি ঐক্যবদ্ধ ভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে না সরান, তাহলে বহু এলাকার নাম বাবরের নামে হবে। আকবরের নামে করবে। ঔরঙ্গজেবের নামে করবে । তাই হিন্দুরা এদিনের বেলডাঙার ঘটনা থেকে শিক্ষা নিন। যে মুঘলরা এখানে আমাদের মা বোনদের ইজ্জত নিতে এসেছিল, হিন্দুদের আধিবাসীদের জোর করে নাম পরিবর্তন করতে এসেছিল। সেই মুঘল-পাঠানদের সংস্কৃতির বীজ পোঁতা হল এই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে।'