২৬-এর ভোট যতই এগিয়ে আসছে মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে ততই যেন মন্ত্রী তাজমুল হোসেন এবং জেলা পরিষদ সদস্য বুলবুল খানের মধ্যে ঠান্ডা লড়াইয়ের পারদ ঊর্ধ্বসীমা অতিক্রম করছে। জেলা পরিষদ সদস্য বুলবুল খানের নেতৃত...
২৬-এর ভোট যতই এগিয়ে আসছে মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে ততই যেন মন্ত্রী তাজমুল হোসেন এবং জেলা পরিষদ সদস্য বুলবুল খানের মধ্যে ঠান্ডা লড়াইয়ের পারদ ঊর্ধ্বসীমা অতিক্রম করছে। জেলা পরিষদ সদস্য বুলবুল খানের নেতৃত্বে এসআইআর বিরোধী মিছিল এবং সভাকে কেন্দ্র করে ফের চরমে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। তৃণমূলের মিছিলকে নতুন দলের মিছিল বলছেন বিধায়ক তথা মন্ত্রী তাজমুল হোসেন। ভাইরাল সেই অডিও ক্লিপ। যদিও অডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সিএন।
মিছিলে হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভা এলাকার সংগঠন এবং জেলা ব্লক পঞ্চায়েত স্তরের দলের বিভিন্ন প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকলেও মন্ত্রী তাজমুল হোসেন অনুপস্থিত ছিলেন। এমনকি ছিল না তাঁর অনুগামীরাও। আর এই নিয়ে শুরু গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের গুঞ্জন। বারোদুয়ারি খনতা মাঠ থেকে শুরু হয় মিছিল। যেখানে হুড খোলা গাড়িতে ছিলেন বুলবুল খান। পেছনে ছিল প্রায় বহু গাড়ি এবং মোটরবাইক। বিশাল মিছিল হরিশ্চন্দ্রপুর সদর এলাকা হয়ে শেষ হয় তুলসিহাটা ভবানীপুর ব্রিজের কাছে। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান, পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেতা স্বপন আলি, জেলা পরিষদ সদস্য তথা ব্লক তৃণমূল সভানেত্রী মর্জিনা খাতুন, ব্লক সহ-সভাপতি রুহুল আমিন প্রমুখ।
বুলবুল খান জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া তাঁদের কোনও অস্তিত্ব নেই। এছাড়াও তিনি নিজে মন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন বলে দাবি তাঁর। তবে মন্ত্রীর অনুপস্থিতির কারণ তাঁর জানা নেই বলে জানান তিনি।
এই দ্বন্দ্ব নিয়ে তীব্র কটাক্ষ বিজেপির। এসআইআর বিরোধী কার্যক্রমের মঞ্চ কার্যত শাসকের কোন্দলের মঞ্চ হয়ে দাঁড়াল বলে দাবি বিজেপির। ভাগ-বাঁটোয়ারা কেন্দ্র করেই তৃণমূলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, দাবি বিজেপির। তৃণমূলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই। ২৬-এর ভোটে জেতার বিষয়ে আশাবাদী দল, বললেন জেলা পরিষদ সদস্য তথা ব্লক তৃণমূল সভানেত্রী মর্জিনা খাতুন। এই ঘটনায় বিধানসভার প্রাক্কালে তৃণমূলের এই দ্বন্দ্বে কি অস্বস্তিতে তৃণমূল? প্রশ্ন ওয়ারিবহাল মহলের।