মঙ্গলবার মেনকা গুরুস্বামী ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভর্ৎসনা করে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, বিচারক বা বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের নিরপেক্ষতা ও দক্ষতা নিয়ে যেন প...
মঙ্গলবার মেনকা গুরুস্বামী ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভর্ৎসনা করে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, বিচারক বা বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের নিরপেক্ষতা ও দক্ষতা নিয়ে যেন প্রশ্ন তোলা না-হয়। এবং, বিবেচনাধীন (UNDER ADJUDICATION) ৬০ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি ও সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা নিয়ে যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার তা নেবেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। এর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল বুধবার সকালে এক ভার্চুয়াল বৈঠক করলেন বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের সঙ্গে।
সূত্রের খবর, বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এদিন 'নিরপেক্ষতা'র বার্তা দেন বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের। হাইকোর্টের তরফে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়, "স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে যাতে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সিতে নিষ্পত্তি হয়, সেদিকে নজর রাখতে হবে। এবং, একজন বৈধ ভোটারের নামও যাতে বাদ না-যায়, তা মাথায় রাখতে হবে"।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানির সময়ে জানা যায়, কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন যে, ৬০ লক্ষের মধ্যে ১০ নামের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। রাজ্যের আইনজীবীর প্রশ্ন, তাহলে কেন সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছে না? সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই নিয়ে যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার তা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি নেবেন। নাম নিষ্পত্তি নিয়ে নিম্ন আদালতের বিচারক তথা বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের সততা ও নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হলে রাজ্যকে কড়া ধমক দেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। এমতাবস্থায়, পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে এদিন সকালেই বিচারকদের নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠকে বসেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।
যদিও, ৬০ লক্ষের মধ্যে নিষ্পত্তি হওয়া ১০ লক্ষের নাম-সহ সাপ্পিমেন্টারি তালিকা কবে প্রকাশিত হবে, কাদের নাম বাদ যাচ্ছে ও কেন বাদ যাচ্ছে, সেই ব্যাখ্যাই-বা কবে পাওয়া যাবে, সে প্রশ্ন কিন্ত রয়েই গেল।