নির্বাচন কমিশন আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে সাধারণ ভোট দানের পাশাপাশি পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়াকে আরও সুরক্ষিত ও স্বচ্ছ করার উপর জোর দিচ্ছে। কমিশনের এক নির্দেশিকায় এই প্রক্রিয়ার জন্য ব্যবহৃ...
নির্বাচন কমিশন আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে সাধারণ ভোট দানের পাশাপাশি পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়াকে আরও সুরক্ষিত ও স্বচ্ছ করার উপর জোর দিচ্ছে। কমিশনের এক নির্দেশিকায় এই প্রক্রিয়ার জন্য ব্যবহৃত ফ্যাসিলিটেশন সেন্টার (এফসি) এবং পোস্টাল ভোটিং সেন্টার (পিভিসি)-এ ভোটগ্রহণের ক্ষেত্রে নজরদারি ও নিরাপত্তা জোরদার করার কথা বলা হয়েছে। বাংলার 'ভোট কালচার' এবার কি তবে সত্যিই বদলাচ্ছে?
কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা ভোটারদের নির্দিষ্ট ফ্যাসিলিটেশন সেন্টারেই পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে হবে। পাশাপাশি জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত অনুপস্থিত ভোটারদের জন্য পোস্টাল ভোটিং সেন্টারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় নজরদারি বাড়াতে প্রতিটি বুথে মাইক্রো অবজারভার নিয়োগ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, অন্তত গ্রুপ ‘বি’ পর্যায়ের এক জন আধিকারিককে প্রতিটি বুথে মাইক্রো অবজারভার হিসেবে রাখতে হবে।
নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, জেনারেল, পুলিস বা এক্সপেন্ডিচার অবজারভারদের দিনে অন্তত তিন বার করে এই কেন্দ্রগুলি পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভোটগ্রহণ ও খাম সিল করার প্রক্রিয়া ঠিকমতো হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনও গড়মিল হলে তা দ্রুত রিপোর্ট করতে হবে বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ফ্যাসিলিটেশন ও পোস্টাল ভোটিং সেন্টারের প্রবেশপথে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ রয়েছে। শুধুমাত্র অনুমোদিত ব্যক্তিদেরই প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে।
এ ছাড়া, প্রতিটি বুথে সিসিটিভি ক্যামেরা বসিয়ে পুরো ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া রেকর্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের সেই ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং কোনও অনিয়ম ধরা পড়লে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। সেই রেকর্ড সংরক্ষণ করার কথাও বলা হয়েছে। নির্দেশিকায় আরও জানানো হয়েছে, প্রতিদিন ভোটগ্রহণ শেষে সংশ্লিষ্ট নথি ও সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখবেন জেনারেল অবজারভার ও রিটার্নিং অফিসার। সব সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের এই নির্দেশ কঠোরভাবে মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
উল্লেখ্য, এখনও পর্যন্ত ৮৪১৩টি বুথ উত্তেজনাপ্রবণ ও স্পর্শকাতর চিহ্নিত করা হয়েছে। মোট আসল বুথের ১০% পেরিয়ে গিয়েছে। মোট আসল বুথ ৮০৬৮১ টা।