প্রথম পরীক্ষাটি শুরু হয়েছিল ২০২২ সালে ভিক্টোরিয়ার ইস্ট গিপসল্যান্ডের মেটুং রোডে। পরে নিউ সাউথ ওয়েলস-এও একটি ট্রায়াল চালানো হয়, যেখানে ব্যস্ত ট্রাফিকের জন্য পরিচিত বুলি পাসের তীব্র বাঁকে এই ‘গ্লো-ইন-দ্য-ডার্ক’ লাইন ব্যবহার করা হয়।
এই প্রযুক্তির মূল সুবিধা হলো, যেখানে প্রচলিত স্ট্রিট লাইট বসানো কঠিন বা ব্যয়বহুল, সেখানে এটি কার্যকর বিকল্প হতে পারে। বিশেষ করে গ্রামীণ বা দুর্গম এলাকায় রাতের দৃশ্যমানতা বাড়াতে এটি টেকসই সমাধান।
প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
🌞 দিনে সূর্যের আলো শোষণ করে
🌙 রাতে দৃশ্যমান আলো ছড়ায়
🚗 লেন ও বাঁক স্পষ্টভাবে দেখা যায়
⚡ বিদ্যুৎ ছাড়াই নিরাপত্তা বাড়ায়
তবে এর কার্যকারিতা অনেকটাই নির্ভর করে দিনের আবহাওয়ার ওপর। পর্যাপ্ত সূর্যালোক না থাকলে রাতে আলো কম দেখা যেতে পারে। তবুও পরীক্ষাগুলো দেখাচ্ছে যে এটি পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী উপায়ে রাতের সড়ক নিরাপত্তা বাড়াতে সক্ষম।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে শুধু অস্ট্রেলিয়ায় নয়, বরং অন্যান্য দেশেও ব্যবহার করা যেতে পারে। বিশেষ করে যেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ সীমিত, সেখানে এটি বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
সর্বোপরি, অস্ট্রেলিয়ার এই উদ্যোগ প্রমাণ করছে যে টেকসই উদ্ভাবনই ভবিষ্যতের সড়ক নিরাপত্তার চাবিকাঠি।
#Australia #RoadSafety #Innovation #GlowInTheDark #BreakingNews