আপ্রাণ চেষ্টা করেও আপনার আর্থিক স্বচ্ছলতা আসছে না ? সবসময় বাড়িতে অশান্তি, ঝামেলা লেগেই আছে? আইনি জটিলতায় জড়িয়ে পড়েছেন? প্রতিবেশীর সঙ্গে শত্রুতা বাড়ছে? এ রকম হাজারও সমস্য়ার জর্জরিত? কিন্তু তার কোন কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না। নিজের অজান্তেই বাস্তু দোষের সৃষ্টি করেন নি তো? দেখুন তো নীচে দেওয়া ঘটনা গুলো আপনাদের সঙ্গে মিলছে কি না? যদি মিলে যায় তবে বুঝবেন আপনার গৃহে বাস্তু দোষ সৃষ্টি হচ্ছে, এবং তার জন্য দায়ী আপনি নিজে ও পরিবারের অন্য সদস্যরাও। কোন গৃহে বা বাস্তুতে শুধু বাস্তুদেবতাই থাকেন না, অসুররাও থাকে। বাস্তুতে কোন ত্রুটি হলে আসুরিক শক্তি জাগ্রত হয়,ফলে গৃহে অশান্তি বাড়ে। কিছু নিয়মের পরিবর্তন আনলে পরিস্থিতি পাল্টাবে।
১) অত্যধিক জলের অপব্যবহার বন্ধ করুন- নচেৎ চন্দ্র গ্রহের অশুভত্বের মাত্রা বেড়ে যাবে,বাড়িতে অশান্তি বাড়তে থাকবে।
২) জলের কল বা ট্যাপ থেকে যেন অনবরত জল না পড়তে থাকে- তাহলে জলের মত টাকা খরচ হবে,আর্থিক সঙ্কট আসবে।
৩) ছাদের জল যেন দক্ষিণ অথবা পশ্চিম দিকে প্রবাহিত না হয়- মঙ্গল ও শনি গ্রহ অশুভ ফল দান করবে।
৪) বাথরুমের বালতি সব সময় জল পূর্ণ রাখুন,যেন ফাঁকা না থাকে- রাহু শুভ ফল দেবে,শত্রুতা কম হবে।
৫) ঝাঁটা বাথরুমের মধ্যে মোটেই রাখবেন না- অলক্ষ্মীর প্রকোপ বৃদ্ধি পাবে,দৈনতা দেখা দেবে।
৬) থালা চেটে পরিষ্কার করে খাবার খাবেন না- এতে মা লক্ষ্মী রুষ্ট হন, অন্ন অভাব দেখা দেয়।
৭) গামছা পরে বা গামছা গায়ে দিয়ে খাবার খেতে বসবেন না- নারায়ণ ও লক্ষ্মী উভয়ই রুষ্ট হন,ফলে আর্থিক উন্নতি ব্যাহত হয়।
৮) প্রতিনিয়ত বিছানায় বসে খাবার খাবেন না- এতে দাম্পত্য কলহ ও সম্পর্কের দৈন্যতা নেমে আসবে।
৯) থালা-বাসন,আসবাবপত্রে যেন বিকট শব্দ না হয়- রাহু গ্রহের শক্তি বৃদ্ধি হবে,প্রতিবেশির সঙ্গে ঝগড়া হবে।
১০) উত্তরের দিকে মাথা এবং দরজা, জানালার দিকে পা করে শোবেন না- যমরাজের শক্তি বৃদ্ধি পাবে, ফলে আয়ু ক্ষয় হবে।
যদি এই সব ঘটনাগুলি আপনার সঙ্গে ঘটে থাকে, তবে আপনার অভ্যাসে পরিবর্তন আনুন ও নিজেই নিজের বাস্তু দোষের প্রতিকার নিজেই করুন। আশা করি কিছু দিনের মধ্যেই আপনার সংসার জীবনেও কিছু পরিবর্তন আসবে।