দিনের শেষে কাজ কর্ম শেষ করে অবসন্ন ক্লান্ত দেহ নিয়ে যখন ঘরে ফেরেন,তখন মন বিছানা খোঁজে। কেন না সঠিক সময় ও পর্যাপ্ত ঘুমের চেয়ে বড় ক্লান্তি দূর করার ওষুধ আর পৃথিবীতে নেই,এই জন্য় চিকিৎসা বিজ্ঞান আট ঘন্টা ঘুমানোর বিধান দিয়েছে। এ তো গেল বিজ্ঞানের কথা,জ্যোতিষ শাস্ত্র,বাস্তুশাস্ত্র এবং বাস্তবতা কি বলছে? চোখে ঘুম আছে কিন্তু আপনি ঘুমাতে পারছেন না,ছটফট করছেন। ঘরে মন টিকছে না,অশান্তি হচ্ছে। সংসারে কোন উন্নতি নেই,ধার দেনা করে ফেলেছেন। দাম্পত্য সুখের মধুরতা নেই,কারণে অকারণে সন্দেহ আর ঝগড়া হচ্ছে। আইনি জটিলতায় জড়িয়ে পড়েছেন,কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না। আপনার শোবার ঘরে বাস্তু দোষ নেই তো? কি করে বুঝবেন যে আপনার শোবার ঘরে বাস্তু দোষ রয়েছে? দেখুন তো নীচে দেওয়া তথ্য গুলো আপনার সঙ্গে মিলছে কি না? যদি মিলে যায় তবে বুঝবেন আপনার শোবার ঘরে বাস্তু দোষ আছে। আপনি নিজেই কিছু নিয়ম বা জিনিষের অদল বদল করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবেন।
১) আপনার শোবার খাটের নিচে ময়লা আবর্জনা,পরিত্যক্ত জিনিষ পত্র,অব্যবহার্য থালা বাসন নেই তো?-খাটের তলা পরিষ্কার রাখুন।
২) শোবার ঘরে আয়না বিছানাকে প্রতিফলিত করছে,বিছানায় বসে আয়নায় মুখ দেখছেন না তো?- থাকলে রাতে ঢেকে রাখুন
৩) আপনার শোবার খাটের মাঝে ফাঁকা বা দুটো খাট পাশাপাশি রেখে স্বামী-স্ত্রী ঘুমাচ্ছেন না তো? খাট পাল্টে নিন।
৪) শোবার ঘরে ঠাকুরের আসন রেখে নিত্য় পুজো করছেন না তো? বিকল্প ঘর বা উপায় না থাকলে রাতে ঢেকে রাখুন।
৫) দরকারী নথিপত্র, দলিল দস্তাবেজ তোশকের তলায় রাখচ্ছেন না তো?- সরিয়ে ফেলুন নচেৎ আইনি জটিলতায় জড়িয়ে পড়বেন।
৬) পোশাক বা জামা-কাপড় যত্রতত্র বিছানার উপর ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখছেন না তো?- শুক্র গ্রহ খারাপ হবে,দাম্পত্য় সুখ নষ্ট হবে।
৭) আপনার শোবার ঘরের দেওয়ালে ঘড়ি ঝোলানো নেই তো?- সরিয়ে রাখুন, ঘুমের ব্যাঘাত সৃষ্টি করবে।
৮) ঘরের দেওয়ালে কোন ক্রন্দনরত মুখ,হিংস্র প্রাণী ,ডুবন্ত জাহাজ,গোধুলী বেলা বা বিভৎস যুদ্ধের ছবি নেই তো?- সরিয়ে দিন।
৯) দামী বক্স খাটের মধ্যে লেপ,কাঁথা,তোশক,মশারী,কাঁসার থালা বাসন,হাতা খুন্তি রাখেন নি তো? প্রশ্ন চিহ্ন রইল।
১০) বাড়ির পশ্য বিড়াল কুকুরও কি আপনার সঙ্গে একই বিছানায় ঘুমায়? সম্ভব হলে ওদের আলাদা রাখুন।
যদি এই সব ঘটনাগুলির একটিও আপনার সঙ্গে ঘটে থাকে, তবে আপনার অভ্যাসে পরিবর্তন আনুন ও নিজেই নিজের বাস্তু দোষের প্রতিকার করুন। আশা করি কিছু দিনের মধ্যেই আপনার সংসার জীবনেও পরিবর্তন আসবে।