সনাতন ধর্মের পদ্মপুরাণ অনুযায়ী মুর নামক এক অসুরকে বধ করার জন্য ভগবান বিষ্ণুর শরীর থেকে দিব্য শক্তি হিসেবে একাদশীর সৃষ্টি হয়েছিল। মুর নামক এক শক্তিশালী অসুর দেবতারাকে পরাজিত করে স্বর্গ দখল করেছিল। দেবতারা বিষ্ণুর শরণাপন্ন হলে তিনি মুর অসুরের সঙ্গে দীর্ঘ দিন যুদ্ধ করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়েন। বিশ্রামের জন্য় বিষ্ণু বদরীকাশ্রমের হেমবতী গুহায় যোগনিদ্রায় যান। বিষ্ণুর ঘুমন্ত অবস্থার সুযোগ নিয়ে মুর অসুর তাঁকে হত্যা করতে আসে। সেই সংকট মুহূর্তে ভগবান বিষ্ণুর শরীর থেকে এক তেজস্বী ও সুন্দর নারী শক্তি বা দেবী মুর্তি প্রকাশিত হন। সেই দেবী অত্যন্ত পরাক্রমের সঙ্গে মুর অসুরকে পরাজিত ও বধ করেন। সেই দিনটি ছিল একাদশী তিথি। এই কারণেই একাদশী তিথিতে যে সমস্ত মেয়েরা জন্ম গ্রহণ করে তারা বিষ্ণুর আশীর্বাদ নিয়ে জন্মে।
১) নিজেদের ভালো কাজের জন্য সমাজে পরিচিতি লাভ করেন এই সন্তানেরা।
২) যে কন্যা সন্তানের জন্ম একাদশীতে হয়, তাঁরা সাধারণত একটু গম্ভীর প্রকৃতির হন।
৩) এই শিশুরা সাধরণত নরম মনের মানুষ হন।
৪) একাদশী তিথিতে জন্মানো মেয়েদের উপর শ্রী বিষ্ণু ও মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদ থাকে সব সময়।
৫) একাদশী তিথিতে যে মেয়েদের জন্ম হয়, তাঁরা তাঁদের পিতা ও স্বামীর জন্য সৌভাগ্য বয়ে আনে।