এমবিবিএস সম্পন্ন করার পর অধিকাংশ চিকিৎসকই উচ্চশিক্ষার কথা ভাবেন। সেই পথে প্রথম ধাপ নিট পিজি (NEET PG)। এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে পোস্ট এমবিবিএস ডিপ্লোমা কিংবা ডক্টর অফ মেডিসিন (এমডি) - দু’ধরনের কোর্সেই ভর্তির সুযোগ মেলে। তবে দুটির মধ্যে রয়েছে সময়, প্রশিক্ষণ ও কেরিয়ার সম্ভাবনার গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য।
পোস্ট এমবিবিএস ডিপ্লোমা সাধারণত দু’বছরের কোর্স। নির্দিষ্ট কোনও বিশেষ শাখায় প্রাথমিক দক্ষতা ও ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ দেয় এটি। এনবিইএমএস স্বীকৃত ন’টি বিষয়ের মধ্যে রয়েছে অ্যানাস্থেশিয়োলজি, অবস্টেট্রিক্স অ্যান্ড গাইনেকোলজি, পিডিয়াট্রিক্স, ফ্যামিলি মেডিসিন, অপথালমোলজি, ইএনটি, রেডিয়ো ডায়গনোসিস, টিবি ও চেস্ট ডিজ়িজ় এবং ইমার্জেন্সি মেডিসিন। দ্রুত বিশেষ ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জন করতে চাইলে ডিপ্লোমা উপযোগী হতে পারে।
অন্যদিকে, ডক্টর অফ মেডিসিন (এমডি) তিন বছরের বিস্তৃত কোর্স। এতে গভীরতর স্পেশ্যালাইজ়েশন ও অ্যাডভান্সড ক্লিনিক্যাল ট্রেনিংয়ের সুযোগ থাকে। ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন স্বীকৃত ৩০টিরও বেশি বিষয়ে এমডি করা যায়-অ্যানাস্থেশিয়োলজি, পিডিয়াট্রিক্স, সাইকিয়াট্রি, নিউক্লিয়ার মেডিসিন, রেডিয়োলজি, পালমোনারি মেডিসিন প্রভৃতি তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য। বড় হাসপাতাল বা মেডিক্যাল কলেজে অধ্যাপনা ও উচ্চপদে কাজের ক্ষেত্রে এমডিধারীরা সাধারণত অগ্রাধিকার পান।
ডিপ্লোমা কোর্স তুলনামূলকভাবে স্বল্পমেয়াদি এবং দ্রুত কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের সুযোগ দেয়। তবে সুদূরপ্রসারী একাডেমিক বা সুপার-স্পেশ্যালিটি লক্ষ্যে এমডি বা ডিএনবি অধিক গ্রহণযোগ্য।
যে প্রতিষ্ঠানেই ভর্তি হোক, সংশ্লিষ্ট কোর্সের জন্য এনবিইএমএস বা এনএমসি-র অনুমোদন থাকা আবশ্যক। নতুন শিক্ষাবর্ষের অনুমোদনের আবেদন ২৯ মে পর্যন্ত গ্রহণ করা হবে।