2026 ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে এক সঙ্ঘবদ্ধ সুইজারল্যান্ডকে 3-1এ হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকিটটা পাকা করে নিলো মেসির আর্জেন্টিনা।
কোয়ার্টার ফাইনালে এম্বলো দের কঠিন প্রাচীর অপেক্ষা করছিলো মেসিদের সামনে। প্রথম থেকেই আর্জেন্টিনা আক্রমণের পথ বেছে নেয়। এর ফলে খেলার ঠিক 10 মিনিটের মধ্যেই প্রথম লিড টা পেয়ে যায় নীল সাদা বাহিনী।
এটা বলা যেতেই পারে, মিসর ঠিক যেরকম খেলেছিল, সুইসদের কাছেও ঠিক সেরকম একটা পারফরমেন্স আশা করেছিল দর্শকরা।কিন্তু সেটা ঠিক হয়নি ।খেলাটা একটু ম্যাড়ম্যাড়েই লাগছিলো। এই একটা ম্যাচ, যেখানে মেসিকে একটু নিষ্প্রভ দেখা যায়।
দ্বিতীয়ার্ধে প্রায় বেশ কিছুক্ষণ এরকমই চলতে থাকায় ধরা হচ্ছিলো, ম্যাচের বাকি সময়টাও ঠিক এভাবেই কেটে যাবে।
আর্জেন্টিনার আক্রমণের ঝাঁজ কমতে থাকে, এবং তাদের মাঝমাঠ খেলা থেকে হারিয়ে যেতে থাকে। ঠিক এই সুযোগে (67 মিনিটে ) ড্যান এন্ডোয়ের গোলে সমতায় ফেরে সুইসরা । দর্শকরা গা হাত পা ঝেড়ে বসে।
ঠিক এমন সময় সুইসদের ষ্টার খেলোয়াড় এম্বলো কোনো শারীরিক কন্টাক্ট ছাড়াই, ডাইভ দিয়ে মাটিতে পরে যায়। রিভিউয়ে স্পষ্ট দেখা যায় অভিনয়টি। এর ফলস্বরূপ রেফারি তাকে লাল কার্ড দেখায়।
খেলার ফুল টাইম হয়ে যাওয়ায় পর, ম্যাচ গড়ালো এক্সট্রা টিমের দিকে। একদিকে দশজনের সুইজারল্যান্ড আর অন্য দিকে মরিয়া আর্জেন্টিনা। যা হবার তাই হলো, খেলার 112 ও 120+1 মিনিটে গোল করে কাঙ্খিত জয় পেয়ে যায় মেসির আর্জেন্টিনা।
উল্লেখ্য, অনেকেরই অভিযোগ ,গোটা টুর্নামেন্টে আর্জেন্টিনাকে বাড়তি সুবিধা পাইয়ে দিচ্ছে FIFA । এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াও রীতি মতো উত্তাল । এই ম্যাচটা নিয়েও অনেকের মতে , লাল কার্ড দিয়ে সুইজারল্যান্ডের লড়াই চালানোর চেস্টা বা জয়ের সম্ভাবনার আগুনে জল ঢেলে দেয় ফুটবলের সর্বোচ্চ্য সংস্থা।
তবে বিতর্ক বিতর্কের জায়গায় থাকাটাই ভালো।
মেসির অফ ফর্মের দিনে তার সতীর্থরা দলগত ভাবে জয় এনে দিয়ে আর্জেন্টিনাকে। এতে বিশ্ব জুড়ে মেসি ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের স্বস্তির ফেলেছে , এটাই বা কম কিসের!
ওপারে কিন্তু ইংল্যান্ড অপেক্ষা করছে। হ্যারি কেন --- নামটা তো শুনেছেন নিশ্চই। এবার অপেক্ষা সেমী ফাইনালের।
গোলদাতা
10' --- আলেক্সিস ম্যাক এলিস্টার (আর্জেন্টিনা )
67'--- ড্যান এন্ডোয়ে (সুইজারল্যান্ড)
112'--- জুলিয়ান আলভারেজ
120'+1' --- লাউতারো মার্টিনেজ