ভাবুন তো একবার, পরীক্ষায় বসে কমন পাওয়া অঙ্কটা যদি না মেলাতে পারেন। ঠিক ধরেছেন, সেমিফাইনালের অঙ্ক মেলেনি কারোরই। একেবারে এলেবেলে পাবলিক থেকে পাড়ার রকে ও মাচায় বসা ফুটবল পন্ডিত — সক্কলের প্রেডিকশন ভুল করে, ফাইনালের সরণিতে স্পেন। সামনে দ্বিতীয়বার বিশ্বজয়ের হাতছানি।
আজ একই থালায় ভাত, থুড়ি, বোতলে বিয়ার ও সসেজ ভাগ করে খেয়েছে চির প্রতিদ্দ্বন্দী বার্সেলোনা আর রিয়্যাল মাদ্রিদ ---- আজ সব কিছু যেন মিলে মিশে একাকার।
এমন নয় যে স্পেনের হয়ে কেউ বাজি ধরেনি। সবাই এটাই ভেবে রেখেছিল য়ামাল রা ভালো খেললেও হয়তো ফ্রান্সের কাছে পেরে উঠবেনা। কিন্তু খেলার প্রথম মিনিটে থেকেই যেন তা ভুল প্রমান করতে থাকে লাল হলুদ বাহিনী । তিকি- তাকা আর জোনাল মার্কিং এর সাঁড়াশি কলে নিস্তেজ করে দেয় ফ্রেঞ্চ মাঝমাঠ আর আক্রমণভাগকে।
হ্যাঁ, স্কিল এবং ট্যাকটিক্যাল প্রিসিশন কে ভর করে স্পেন রীতিমতো বোতলবন্দি করে রাখে এম্ব্যাপে, ডেম্বেলেকে। বরং ফ্রেঞ্চদের গোল মুখে মাঝে মধ্যেই পৌঁছে যাচ্ছিলো তিকিতাকা ওয়ালারা।
তার ফল স্বরূপ খেলার 22 মিনিট ও 58 মিনিটে স্পেনের হয়ে গোল করে যায়, মিকেল ওয়ার্যাবল ও পেদ্র পরো।
এক্কেবারে শেষ দিকে কিছুতা তেড়ে-ফুঁড়ে খেলার চেষ্টা করলেও স্প্যানিশ গোলবক্স ভেদ করতে ব্যর্থ হয়, ডেম্বেলে, এমবাপ্পে রা।
ভাঙলো লাখো নীল-সাদা স্বপ্ন। কিন্তু তাতে কি হয়েছে ! জিদান-অঁরি দের শিখিয়ে যাওয়া বিদ্যে আর উত্তরাধিকারকে বিশ্বকাপের পর বিশ্বকাপ এভাবে বহন করা----- এমবাপ্পে, জিরু,লরি, ডেম্বেলেরা অবস্যই কৃতিত্বের দাবি রাখে।
আজকের লেসন এটাই --- কেউ অজেয় নয়, আর সঠিক পরিকল্পনা করলে সাফল্য আস্তে বাধ্য।
তাই দেখা যাক, এবার স্পেনের মুখোমুখি কে হয়
হ্যারি কেন না 'ফি_বয়' [সরি, ছন্দ মিলিয়েছি মাত্র, কেস দেবেন না প্লিজ]।