বাঙালি নিয়ম করে সমুদ্র খুঁজতে যান। কখনও দিঘা, কখনও পুরী কখনও বা কন্যাকুমারি, কখনও বা মুম্বই মেরিন ড্রাইভ। চলুন ঘুরে আসা যাক ভগ্ন সাগর পারে এক অজানা ভ্রমণ ডেস্টিনেশনে। নাম হেনরি আইল্যান্ড। ভোর ভোর বুলেট স্টার্ট করে ঘণ্টা দেড়েকের মধ্যে ডায়মন্ড হারবার। তখন সবে সূর্যর ঘুম ভেঙেছে। ওয়াইড অ্যাঙ্গেল ফ্রেমে কুসুম সূর্য মেখে পালতোলা নৌকা। চিকচিক করছে নদী। নদীপাড়ে দাঁড়িয়ে চা, সঙ্গে ডিম টোস্ট খেয়ে ফের এন্ডফিল্ডে কিক। গাড়ির কাঁটা ৫০ এ স্থির। আরও দু ঘণ্টা পার করে হেনরি আইল্যান্ড। বেশ মনোরম সমুদ্র সৈকত। মৎস দফতরের ভেড়ি পার করে গাছগাছালি আর ম্যানগ্রোভ। তারপরে ভার্জিন সমুদ্র। সৈকত ছুঁয়ে রয়েছে নজর মিনার। ভোর কিংবা বিকেলে অলস সময় কাটাতে এই আইল্যান্ড অচেনা প্যান্ডোরাবক্স।
বকখালিতে বিভিন্ন মানের হোটেল রয়েছে। সমুদ্র সৈকতের গা ঘেষে রয়েছে মৎস্য দফতরের অতিথি নিবাস। ওখানে ঠাঁই পেতে আগে থেকে অনলাইন বুকিং করাই বুদ্ধিমানের কাজ। কলকাতা থেকে বকখালির দূরত্ব ১২৫ কিলোমিটার। তার কাছেপিঠেই হেনরি আইল্যান্ড। ট্রেনে করে গেলে নামখানায় নেমে অটো বুক করে নিতে পারেন। তাছাড়া ধর্মতলা থেকে সরাসরি বাসও রয়েছে। কাছেপিঠেই রয়েছে বকখালি সমুদ্র সৈকত, ম্যানগ্রোভ অরণ্য, কারগিল সৈকত, ফ্রেজারগঞ্জ। শনি-রবি দু দিনের ছুটিতে হেনরি আইল্যান্ড আপনাকে শান্তি দেবে। জলজঙ্গলে অচেনা পাখির ডাক, তারই সঙ্গে বালিতে ছুটে বেড়ানো কাঁকড়া। এখানে সমুদ্রে মাতাল হাওয়া রয়েছে, ঢেউয়ের ঔদ্ধত্য নেই। রবিবার রাত কাটিয়ে সোমবার সকালে রওনা দিয়ে আপনি চাইলে অফিসেও হাজিরা দিতে পারেন।
rn