×

Calcutta Television Network

ঘর থেকে কুয়াশা সরিয়ে কাঞ্চজঙ্ঘা

ঘর থেকে কুয়াশা সরিয়ে কাঞ্চজঙ্ঘা

13 June 2026 , 07:10:57 pm

চেনা দার্জিলিং, অচেনা দার্জিলিং। রেলিংয়ের ধারে বুনো ফার্ন, তারপরে একটা পাখি বসে আছে ম্যাগনোলিয়া গাছের ডালে। একদিকে পাইন ওকের জঙ্গল বেশ ঘন। অন্যদিকে পাহাড়ের ধাপে ধাপে চা বাগানের সবুজ গালিচা। মাঝে আপনার ব্যালকনি। আপনি দাঁড়িয়ে আছেন হাতে এক কাপ মকাইবাড়ির প্রিমিয়াম রোস্টেড চা। সমুদ্রপিঠ থেকে প্রায় ৬ হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এমন একটি গ্রাম যেখানে কাঞ্চনজঙ্ঘা ছুঁয়ে হাওয়া আসে প্রতি সকালে। গ্রামটির নাম চাটাইধুরা। দার্জিলিং বা কালিম্পং এর ঘিঞ্জি গলি ছেড়ে উত্তরবঙ্গে মানুষ খুঁজছে একটু শান্তি। কুয়াশা পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নিচে নেমে আসে। আপনার বারান্দায় যেন মেঘের বেসাতি। সবথেকে বড় পাওনা অবশ্যই কাঞ্চনজঙ্ঘা।


হঠাৎ চোখের সামনে মেঘ সরলে ঝিকমিকিয়ে ওঠে বিশ্বের তৃতীয় উচ্চতম শৃঙ্গ। যারা ট্রেকিং পছন্দ করেন ছোট ছোট পাহাড়ি ট্রেইল ধরে জঙ্গলে ঘুরে আসতে পারেন। জঙ্গলে যতটা পারেন চুপ থেকে শুনবেন পাখির গান। কাছেই ডাওহিল, নেতিয়ালধুরা বা কার্শিয়াং টাউন। ঘুরে আসতে চিমনি গ্রামও। চাটাইধুরায় এখনও বড় কোনও হোটেল গড়ে ওঠেনি। সেই জন্যই বোধহয় এখনও একটা বুনোটে গন্ধ লেগে আছে জায়গাটার গায়ে। থাকতে গেলে পাহাড়ি মানুষদের কাঠের ছোট ছোট হোমস্টে। ঘরোয়া আতিথেয়তায় পাহাড়ি রান্না। যেকোনও ট্রেনে শিলিগুড়ি বা এনজিপি। সেখান থেকে চাটাইধুরার দূরত্ব প্রায় ৫০-৫৫ কিলোমিটার। যেকোনও মরসুমেই চাটাইধুরা অনবদ্য। তবে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে গেলে আকাশ পরিস্কার থাকার সম্ভাবনা বেশি। আর তার অর্থ কাঞ্চনজঙ্ঘা চোখের সামনে। এছাড়া বসন্তে গেলে মিলবে রডোডেনড্রনের দেখা।rn


0 0 0

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে সমর্থন করেন?

Note:"আপনার তথ্যের গোপনীয়তা আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি একটি বিশ্লেষণধর্মী কথোপকথন এবং এখানে কোনো ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ বা প্রকাশ করা হবে না"
×
  • CTVN