তুরুক থেকে আসতে পারেন সেলফু। যারা এনজিপি থেকে সরাসরি আসতে চান একটি গাড়ি ভাড়া করে কালিঝোরা হয়ে বিরিকদাঁড়া ছুঁয়ে আঁকাবাঁকা রাস্তা ধরে পাহাড় খাতের সঙ্গে লুকোচুরি খেলতে খেলতে ১২ কিলোমিটার দূরে সেলফু। এনজিপি থেকে দূরত্ব ৪৮ কিমি। সময় লাগবে কমবেশি দু ঘণ্টা। ভাগ্য ভালো থাকলে দেখতে পাবেন কাঞ্চনজঙ্ঘা। মাথার ওপর কাঞ্চনজঙ্ঘা। নীচে সুন্দরীর নাভি ঘেষা রুপোর বিছের মত রিয়াং। এখান থেকে পাখির চোখে দেখতে পাবেন লেপচা চার্চ, যোগীঘাট সমেত গোটা সিটংকে। এখানে সময় আপনাকে তাড়া করে বেরাবে না। যেদিকে চোখ যায় সেদিকেই ক্যামেরার ফ্রেম। এখানকার আবহাওয়া না খুব গরম না খুব শীত। কোনও এক পথের বাঁকে পাহাড়ের দিকে তাকিয়ে এক কাপ কফি নিয়ে কাটিয়ে দিতে পারেন ঘণ্টা সময়। ভোরবেলায় চলে আসতে পারেন আহালদাঁড়া। পাইন ফার ওকের ফাঁক দিয়ে দেখা মিলতে পারে স পরিবার কাঞ্জনজঙ্ঘার।
যদি একটা দিন এখানে থাকতে পারেন তাহলে দেখতে ভুলবেন না আহালদাঁড়ার অস্তমিত সূর্য। আহালদাঁড়া থেকে এক ছুটে পৌঁছে যাওয়া যায় নামথিংপোখরি। এই পবিত্র পোখরি ঘিরে রয়েছে হাজার মিথ। দেখা মিলতে পারে হিমালয়ান স্যালাম্যান্ডার বা জল টিকটিকির। এই প্রাণীটি কিন্তু ডাইনোসর যুগের। দেখা মিলবে হাজারে হাজারে পাহাড়ি পাখির। সেলফু থেকেই ঘুরে নিতে পারেন আর একটা পাহাড়ি গ্রাম লাটপাঞ্চার। গভীর বন ঘেরা এই গ্রাম বিখ্যাত ধনেশ পাখিদের জন্য। লাটপাঞ্চার হল রুপাশ নেকড হর্নবিলদের ন্যাচারাল ব্রিডিং সেন্টার। আপনার ডিএসএলআর ধরে রাখতে পারে কিছু মনে রাখার মত ফ্রেম। সেলফুতে রাত কাটাতে গেলে যোগাযোগ করে নেবেন হাতে গোণা কয়েকটি হোম স্টের সঙ্গে।