ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত ক্রমশ ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে স্থল অভিযানের সম্ভাবনা এখন স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের সেনা মোতায়েন, অতিরিক্ত মেরিন ইউনিট ও যুদ্ধজাহাজ পাঠানো—সবই কৌশলগত উত্তেজনা বাড়াচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ৫০,০০০ মার্কিন সেনা মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করছে, আর নতুন বাহিনী যোগ হওয়ায় যুদ্ধের পরিধি আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
যুদ্ধের ২২তম দিনে ইরান কোনোভাবেই পিছিয়ে আসেনি। বরং দূরবর্তী কৌশলগত স্থানে হামলা চালিয়ে তাদের আক্রমণাত্মক অবস্থান আরও জোরদার করেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আগের আশ্বাস—যে যুদ্ধ দ্রুত শেষ হবে—তা এখন বাস্তবতার সঙ্গে মেলেনি। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানে শাসন পরিবর্তন ঘটাতে হলে সরাসরি স্থল অভিযান প্রয়োজন হতে পারে, কারণ কেবল আকাশ ও নৌ হামলায় কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাচ্ছে না।
ইসরায়েলি বাহিনীর অংশগ্রহণও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে ইসরায়েলি সেনাদের সক্রিয় ভূমিকা আঞ্চলিক সংঘাতকে বৈশ্বিক নিরাপত্তা সংকটে পরিণত করছে।
এই সম্ভাব্য স্থল অভিযান শুধু মধ্যপ্রাচ্যের জন্য নয়, গোটা বিশ্বের জন্যই এক ভয়াবহ সংকেত। জ্বালানি সরবরাহ, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং পারমাণবিক ঝুঁকি—সবই এখন প্রশ্নের মুখে। বিশ্ব সম্প্রদায় উদ্বেগের সঙ্গে তাকিয়ে আছে, কারণ আগামী দিনের সিদ্ধান্তগুলোই নির্ধারণ করবে শান্তি নাকি আরও অস্থিরতা।