একটা স্বপ্ন। কালো অজগরের মত পিচ রাস্তা দুপাশে পাহাড়ের ঢালে একটি কুড়ি দুটি পাতার বাগান। সেই বাগান পেরিয়ে পাহাড়ের পাকদণ্ডি ধরে মূর্তির ধারে। পাথরের গায়ে ধাক্কা খেয়ে জলতরঙ্গে সুর তৈরি হয়। ট্রেনে চড়ে মালবাজার। সেখান থেকে চালসা থেকে গাড়ির চাকায় সামসিং। এই সামসিং থেকে মাত্র ২ কিলোমিটার দূরে মূর্তির তীরে রকি আইল্যান্ড।পাথুরে দ্বীপ । দ্বীপ ঘিরে পাহাড়ী ও বাহারি ছোট্ট গ্রাম।
এখানে মূর্তি পাহাড় থেকে আছড়ে পড়ছে। এখানে দু একটা হোমস্টে আছে বটে কিন্তু সেখানে পাঁচতারার আরাম খুঁজতে যাওয়া বাতুলতা। চারিদিকে বড় বড় পাথর পাথরের আঁড়ালে মূর্তির লুকোচুরি। নেমে পড়তে পারেন নদীতে। মনটাকেও ভিজিয়ে নিন। গোটা প্রকৃতি এখানে সেলফি জোন। মূর্তির ওপরে রয়েছে একটি ব্রিজ। নানা রঙের ধর্মীয় পতাকা ব্রিজের গায়ে বাঁধা। প্রকৃতি এখানে ভারী খামখেয়ালি। কখনও কখনও হঠাৎ আসা কুয়াশা ভিজিয়ে দেবে আপনার চশমার কাচ। ওপরে সবুজ পাহাড়ের গায়ে হলুদ রোদ।
এখানে এমন কিছু কটেজ রয়েছে যার ব্যালকনি থেকে মূর্তি যেন ছোঁয়া যায়। একটা কফি মগ। ছড়ানো চেয়ারে বসে নদী জঙ্গলের ভিউ উপভোগ করুন। উপভোগ করুন প্রকৃতির শব্দ। রকি আইল্যান্ড আসতে হলে বর্ষা বেস্ট। তবে বছরের যেকোনও সময়েই রকি আইল্যান্ড আপনার মন টানবে। এখান থেকে ঘুরে আসতে পারেন সামসিং, সুনতালেখোলা, ঝালং, বিন্দু। দু দিন তিন রাতের জন্য এর থেকে বেস্ট কিছু হতে পারে না শত শতাংশ গ্যারান্টি