এপ্রিলের ৩ তারিখ গুড ফ্রাইডে, চার পাঁচ স্বাভাবিক ভাবেই শনি আর রবি বার। জীবনে আর কী চাই বলুনতো কালী দা? বৃহস্পতিবার রাতে অফিস থেকে ফিরে ব্যাগ গুছিয়ে নিন। ছাতার মাথা আড়াই দিনের জন্য যাচ্ছেন, নেবেনই বা কী? সাগর পারে যাচ্ছেন বারমুডা গেঞ্জি আর গামছা নেবেন তাহলেই চলবে। আপনারা যাচ্ছেন কানাইচট্টা। নামটা একটু দক্ষিণ ভারতীয় বটে, কিন্তু এখানে যেতে সময় লাগবে মেরে কেটে তিন ঘণ্টা। কানাইচট্টা এখনও পর্যটনকেন্দ্র হয়ে উঠতে পারেনি। অনাঘ্রাতা যুথিকার মত পড়ে আছে নোনাজল মেখে। সাঁতরাগাছি বা হাওড়া থেকে দীঘাগামী যেকোনও ট্রেন ধরে সোজা কাঁথি। বাসেও যেতে পারেন। কাঁথি থেকে দরিয়াপুর।
টোটো অটো, যেভাবে খুশি যেতে পারেন। দরিয়াপুরের সমুদ্র সৈকত। নাম কানাইচট্টা। থাকার জায়গা বলতে গাছপালা ঘেরা প্রকৃতির কোলে একটা বিচ ক্যাম্প। খাট আছে, অ্যাটাচ বাথরুম আছে, মোটের ওপর আতিশয্য না চাইলে সবকিছুই পাবেন। আর আছে হরেক রকম মাছের অফশন। সমুদ্রে ট্রলারের আনাগোনা। বিকেলটা কাটিয়ে দিতে পারেন অন্য দুটি হাতের ওম নিয়ে। পড়ন্ত বিকেলে কুসুম সূর্য ঝুপ করে সাগরে ঝাপ দেয়। রাতে বন ফায়ার উপভোগ করুন ক্যাম্পের আতিথেয়তায়। কানাইচট্টা থেকে অটো ভাড়া করে চলে যেতে পারেন দরিয়াপুর বাতিঘরে। টিকিট কেটে ঢুকতে হয়। এখান থেকে চলে যেতে পারেন পেটুয়াঘাট। ভারতের সপ্তম বৃহত্তম মাছ ধরার বন্দর পেটুয়াঘাট। দৈনিক প্রায় ৪০০টি ট্রলার এখান থেকে মাছ ধরতে যায় গভীর সমুদ্রে। মোটের ওপর দুদিনের জন্য পকেট সামলে একটু অক্সিজেন নিতে যেতেই পারেন এই ভার্জিন সমুদ্রতটে।