Calcutta Television Network

এখানে কাঞ্চনজঙ্ঘা আপনার কফির কাপে ছায়া ফেলে

এখানে কাঞ্চনজঙ্ঘা আপনার কফির কাপে ছায়া ফেলে

14 April 2026 , 07:21:12 pm

মেঘের সঙ্গে হাওয়ার ঝগড়া হলেই একেবারে যাচ্ছেতাই ব্যাপার। মুখ গোমড়া করে বসে থাকে বোরং। এমনিতে মেঘ-হাওয়ায় দুজনের খুব ভাব। ভোরের সূর্য যখন আড়মোড়া ভাঙে, তখন আজলা ভরে রোদ্দুর ছড়িয়ে দেয় পাহাড়ের গায়ে। বসন্তের রেশ কাটবে শহরে। জ্বালাপোড়া গরম, সঙ্গে ঘামাচি। অফিসের কাচের জানলা দিয়ে সূর্যাস্ত দেখতে দেখতে উদাসী মন ছুটবে পাহাড়ে। শিলিগুড়ি থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে বোরং।

পথের সঙ্গী তিস্তা। পাহাড়ে ওঠার কিছুক্ষণ পরেই গায়ে উঠবে উলের চাদর অথবা জ্যাকেট। পথেই রাবাংলা। রাবাংলা থেকে বোরং এর দূরত্ব মাত্র ১৭ কিলোমিটার। এই ১৭ কিলোমিটারে শহুরে চাকচিক্য ছাড়িয়ে আপনাকে পেয়ে বসবে এক বুনো সৌন্দর্য। পাইনবন এখানে তুলি হয়ে আঁকতে থাকে পাহাড়ের গায়ে মেঘের ছায়া। ভোর বেলায় নীল আকাশ দেখা দিলে, বোরং থেকে দেখতে পারবেন কাঞ্চনজঙ্ঘা। দেখা মিলতে পারে ঝকমকে নরসিং এবং পান্ডিম পর্বত শিখরও। এমনিতে তেমন ভাবে কিছুই করার নেই বোরং এ। গোটা দিন কফি আর ধোঁয়া ওঠা ঝোল নুডলস। দুদিনের একদিন পায়ে হেঁটে পাহাড়ি গ্রাম ঘুরুন।

আর একদিন গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়ুন এখান থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে রালং মনাস্ট্রি। ঘুরে আসতে পারেন বোরং উষ্ণ প্রস্রবণ। এ জলে নাকি চর্মরোগ সারে। চাইলে ঘুরে আসতে পারেন রাবাংলার বুদ্ধ পার্ক। মেঘ বাধ না সাধলে গোটা চত্ত্বরটি বেশ লাগে। ঘুরে আসতে পারেন মায়েনাম হিল, বারমেলি সেতু দু দিন বোরং এ থেকে চলে যেতে পারেন গ্যাংটক। শিলিগুড়ি অথবা নিউজলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে চারচাকায় ঘন্টা চারেক। রাস্তায় প্রতিটি বাঁকে নতুন বিশ্ময়। বোরং এ কয়েকটি হাতেগোণা হোমস্টে রয়েছে। সুতরাং এখানে যেতে হলে আগে থেকে যোগাযোগ করে যাওয়াই ভালো। এখানকার মানুষদের আথিতেয়তা বেশ ভালো। ততটাই ভালো স্থানীয় খাবারের স্বাদ। গরমকালে পাহাড়ের চাহিদা প্রবল। তাই যেতে হলে টিকিট টা ঝটপট কেটে ফেলুন।rnrnrn

0 0 0

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে সমর্থন করেন?

Note:"আপনার তথ্যের গোপনীয়তা আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি একটি বিশ্লেষণধর্মী কথোপকথন এবং এখানে কোনো ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ বা প্রকাশ করা হবে না"
×
  • CTVN