Calcutta Television Network

গরম পড়লেই কাধে নিন রুকস্যাক... ডেস্টিনেশন নর্থ বেঙ্গল

গরম পড়লেই কাধে নিন রুকস্যাক... ডেস্টিনেশন নর্থ বেঙ্গল

9 February 2026 , 04:20:27 pm

সমতলে ফেব্রুয়ারি শেষ হওয়ার আগেই মোটা কম্বল বিদায় নেয়। মার্চ পড়তে না পড়তে সুদর্শন চক্রের মত মাথার ওপর ঘুরতে থাকে সিলিং ফ্যান। এরপরেই পাহাড় ডাকে। খোঁজ পড়ে স্কুলের ছুটির, অফিসে হিসেব করতে হয় কাজের। তারপরে বেড়িয়ে পড়া পাহাড়ের রানির কাছে। বাঙালি মানে দীপুদা। দীঘা পুরী দার্জিলিং। দার্জিলিং ডেস্টিনেশন হিসেবে যতই কমন হোক না কেন? বঙ্গবাসী গোটা জীবনে একবার না একবার দার্জিলিং যাবেই। তা খরচপাতি ধরে একটা দার্জিলিং ভ্রমণের প্ল্যান ছকে দেওয়া হল। কয়েকবছর আগেও দার্জিলিং মানে ম্যাল, টাইগার হিল, টয়ট্রেন, চিড়িয়াখানা অথবা আশেপাশে কয়েকটা ঝরনা। তবে এখন আর সে দিন নেই। যাইহোক আলোচনায় ফেরা যাক।


প্রথমেই এনজিপি পর্যন্ত ট্রেনের টিকিট কেটে নিতে হবে। এসি অথবা নন এসি আপনার নিজের ইচ্ছেয়। এনজিপি থেকে গাড়ি ভাড়া করে নিতে হবে। আপনাদের টিমের সদস্য অনুসারে ছোট গাড়ি অথবা বড় গাড়ি ভাড়া করে নেবেন। খরচা পড়বে সাড়ে চার হাজারের আশেপাশে। হাই অল্টিটিউডে উঠছেন প্রয়োজন অনুসারে ওষুধ নিয়ে নিতে ভুলবেন না। আর একবারে না উঠে থামতে থামতে উঠবেন। রাস্তায় থামার যদিও অনেক অজুহাত পাবেন। একদিকে পাহাড়ের দেওয়াল অন্যদিকে অতলান্ত খাদ। অনেক নীচে রুপোর ফিতের মত বয়ে যাচ্ছে তিস্তা। দুপুর পেরিয়ে যখন বিকেল আপনারা পৌঁছে যাবেন দার্জিলিং। ওপরে তখন জাঁকিয়ে শীত। ম্যালের কাছেপিঠে একটা হোটেল নিয়ে লাগেজ রেখে চা টা না হয় ম্যালেই খেলেন। রাতের খাবারটা কি গ্লেনারিজে খাবেন? আলোচনা করে নেবেন। পরের দিন সকাল সকাল বেড়িয়ে পড়ুন সাইট সিনের উদ্দেশে। টাইগার হিল যেতে হলে উঠতে হবে ভোর রাতে। গোটা দিন ধরে ঘুরুন তাগদা, তিনচুলে, লামাহাটা, লাভার্স পয়েন্ট, পেষক, ছয় মাইল। খাবারটা বাইরে খেয়ে নেবেন। বিকেল বিকেল ফিরে ফের ম্যাল। টানা দু ঘণ্টা আড্ডা, কফি আর পাহাড় পিছনে রেখে সেলফি। পরের দিন দার্জিলিং কে টাটা করে বেড়িয়ে পড়ুন ডামেগাঁও এর দিকে। যাবার পথে দেখে নিন বাতাসিয়া লুপ, চিড়িয়াখানা, ঘুম স্টেশন, লেপচা জগত, সুখিয়া পোখরি।


ডামেগাঁও পৌঁছবেন দুপুর দুপুর নাগাদ। মানেভঞ্জনের কােলে এই গ্রাম ছোট রঙ্গিত নদীর তীরে অবস্থিত। ঘরে শুয়ে বসে কাটিয়ে দিন এক- দুদিন। পায়ে হেঁটে দেখে নিতে পারবেন গোটা গ্রাম। ঘন পাইন বনের মধ্যদিয়ে হাঁটতে হাঁটতে পৌঁছে যান ছোটরঙ্গিতের পাড়ে। অসংখ্য নাম না জানা পাখি। ক্যামেরায় আটক করে নিন মনের আনন্দে। দু দিন ডামেগাঁওতে কাটিয়ে রওনা দিন এনজিপির উদ্দেশে। পথে দেখে নিন সীমানা ভিউ পয়েন্ট, নেপাল বর্ডার, পশুপতি নগর, গোপাল ধারা,মিরিখ, শুকনা ফরেস্ট। সব দেখে শুনে এনজিপি পৌঁছবেন বিকেল সন্ধ্যায়। দার্জিলিং মেইলে টিকিট কাটা থাকলে শিলিগুড়িতে বাজার ঘুরে নিতে পারেন। তবে দয়া করে গিফট হিসেবে ট্রেন থেকে বা স্টেশন থেকে চায়ের পাতা কিনবেন না। অতি জঘন্য। যাতা ভাবে ঠকে যাবেন। গাড়ি প্রতিদিন সারে চার হাজার টাকা, দার্জিলিং এর হোটেল আড়াই হাজারের মত, খাবার নিজের পকেট অনুসারে। ডামেগাঁওতে হোমস্টে খাওয়া দাওয়া সহ জন প্রতি ১৫০০ টাকা ধরে নেবেন। এবার সব যোগ করে নিলেই হয়।

0 0 0

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে সমর্থন করেন?

Note:"আপনার তথ্যের গোপনীয়তা আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি একটি বিশ্লেষণধর্মী কথোপকথন এবং এখানে কোনো ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ বা প্রকাশ করা হবে না"
×
  • CTVN