মনে হচ্ছে এক ভয়ঙ্কর ভবিষ্যত অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য। এশিয়া নিঃশ্বাস বন্ধ করে অপেক্ষা করছে। ইউরোপের বুকেও ভয়। কিন্তু এমন পরিস্থিতি কেন? কারণ, এক অন্ধ ভবিষ্যদ্রষ্টার ভবিষ্যদ্বাণী শিরদাঁড়া শীতল করে দিচ্ছে পুরো বিশ্ববাসীকে। কে সে! সা আর কেউনা আমাদের চেনা পরিচিত মুখ বাবা ভাঙ্গা। যাঁর ৮৫% ভবিষ্যদ্বাণী নাকি আজও মিলে গেছে। চেরনোবিল, ৯/১১, সুনামি—সবই তিনি বলেছিলেন আগে।
কিন্তু এবার? যা বাকি আছে, তা শুনলে শিউরে উঠবেন। সেটা কী জানলে অবাক হয়ে যাবেন। এখন জানা যাচ্ছে, 'এশিয়ার বুক ফেটে যাবে। জল গিলে নেবে শহর।' এই কথাই নাকি বলেছিলেন বাবা ভাঙ্গা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন—প্যাসিফিক রিং অফ ফায়ার অঞ্চল সবসময় বিপদসঙ্কুল। জাপান, ইন্দোনেশিয়া, ভারত—সবই এখন ঝুঁকিতে। তাহলে কি তাঁর কথাই সত্যি হতে চলেছে?
করোনা আমাদের শিখিয়েছে, অদৃশ্য শত্রু কত ভয়ঙ্কর হতে পারে। ভাঙ্গার পূর্বাভাস, 'একটি অচেনা রোগ ছড়িয়ে পড়বে বিশ্বে।' বিজ্ঞানীরা নতুন ভাইরাসের সম্ভাবনা নিয়ে সতর্ক করছেন। তবে কি আবার লকডাউন, মৃত্যু আর শোকের ভয়াল দিন ফিরবে?
২০৩৩ পৃথিবী হবে জলমগ্ন! বিশ্ব উষ্ণায়নের জেরে হিমবাহ গলছে। সমুদ্রস্তর বাড়ছে। ভাঙ্গার কথায়, 'সমুদ্র গিলে নেবে ভূমি। মানুষ খুঁজবে নতুন আশ্রয়।' বিজ্ঞানও একই সতর্কবার্তা দিচ্ছে। মালদ্বীপ, বাংলাদেশ, ভারতের উপকূল কি তবে হারিয়ে যাবে জলের তলায়?
ইউরোপের পতন—সভ্যতার এক অধ্যায় শেষ? 'ইউরোপ শূন্য হয়ে যাবে।' এক সময়ের সমৃদ্ধ মহাদেশে কি তবে ভয়াল নিস্তব্ধতা নেমে আসবে? যুদ্ধ, জ্বালানি সঙ্কট, শরণার্থী সমস্যা—সব মিলিয়ে ইউরোপের ভবিষ্যৎ কি অনিশ্চিত?
বাবা ভাঙ্গার কথা অনুযায়ী, অর্থনীতিতে এক ভয়াবহ সঙ্কট আসবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্বব্যাপী মন্দার আশঙ্কা তীব্র হচ্ছে। বাবা ভাঙ্গার কথার সঙ্গে কি এর মিল আছে? যদি এর উত্তর হ্যাঁ হয়, তবে কোটি কোটি মানুষ চাকরি হারাবে।
সবচেয়ে রহস্যময় ভবিষ্যদ্বাণী, 'মানুষ জানবে, তারা একা নয়।' মহাবিশ্বে নতুন প্রাণের খোঁজ পাওয়া যাবে। বিজ্ঞানীরা ইতিমধ্যেই মঙ্গল ও মহাকাশে প্রাণের সন্ধান শুরু করেছেন। তাহলে কি একদিন আমাদের আকাশে ভেসে উঠবে অজানা কোনও ছায়া?
চেরনোবিল বিপর্যয়ে ৯/১১ হামলার কথা শোনা যায়। এছাড়াও সুনামি, সোভিয়েত পতনের কথা আমরা আগেই জেনেছিলাম। তাই বাকিগুলোকে নিয়ে আতঙ্ক বাড়ছে।
তবে এখনই ভয় পাওয়ার কিছু নেই। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এগুলো অস্পষ্ট ভবিষ্যদ্বাণী। অনেক গল্প ইন্টারনেটে বানানো। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তন, ভাইরাসের ঝুঁকি, মন্দার সম্ভাবনা—সবই বাস্তব সত্য। বাবা ভাঙ্গার পূর্বাভাস আতঙ্ক ছড়ালেও আমাদের হাতে সমাধান আছে। জলবায়ু রক্ষা, স্বাস্থ্যসচেতনতা, মানবিকতা—এই তিনেই লুকিয়ে আছে বাঁচার পথ।